Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রততী সরকার : বেঙ্গালুরু, দেশের অন্যতম বড় আইটি হাব (Bengaluru job)। কাজের খোঁজে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিনই বহু মানুষ এই শহরে আসেন। বহু প্রতিকূলতার সম্মুখীনও হতে হয় সাধারন মানুষদের। একের পর এক স্ক্যাম, শ্লীলতাহানির অভিযোগ নতুন কিছুই নয়। এরকমই এক ঘটনা নিয়ে ব্যাঙ্গালোরের এক সংস্থার সিইওর এক সমাজমাধ্যমের পোষ্ট ঘিরে এবার চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পুরো দেশে। সেই পোষ্ট ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক

সমাজমাধ্যমের পোষ্ট ঘিরে বিতর্ক (Bengaluru job)
‘A1 স্পোর্টস ওয়ার্ল্ড’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও কার্তিক এসজি, যিনি কার্তিক শেনয় নামেও পরিচিত, এক্স-এ ঘোষণা করেছেন, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, বিহার এবং মধ্যপ্রদেশ থেকে আসা কোনও পুরুষ প্রার্থীকে তাঁর সংস্থায় নিয়োগ করা হবে না। ২২ সেপ্টেম্বরের পোস্টে তিনি জানান, দীর্ঘ আলোচনা ও মতবিরোধের পর সংস্থার মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নারী সহকর্মীকে হেনস্থা (Bengaluru job)
শেনয় আরও দাবি করেন, সংস্থায় ইতিমধ্যেই রাজস্থানের একজন কর্মী রয়েছেন এবং তিনি নিশ্চিত যে ওই কর্মীই তাঁর বর্ণিত ঘটনার সঙ্গে যুক্ত।পরবর্তী পোস্টগুলিতে সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শেনয় এক প্রাক্তন কর্মীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, ওই কর্মী এমবিএ স্নাতক ছিলেন। চাকরিতে নিয়োগের সময় তাঁর “সিভি ও ব্যাকগ্রাউন্ড ভেরিফিকেশনে” কোনও সমস্যা পাওয়া যায়নি। কিন্তু প্রায় দু’মাস পর তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, বার বার সতর্ক করা সত্ত্বেও তিনি মহিলা কর্মীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছেন। এমনকি এক নারী সহকর্মীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে এই কর্মীর বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি এবং প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ সংক্রান্ত কোনও আইনি পদক্ষেপের তথ্যও পাওয়া যায়নি।
শেনয়ে’র সিদ্ধান্তের সমালোচনা (Bengaluru job)
শেনয়ের বক্তব্য, তাঁর সংস্থা ছোট শিশুদের নিয়ে কাজ করে। ফলে কর্মী ও শিশুদের নিরাপত্তা তাঁর কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কিন্তু এখানেই প্রশ্ন উঠেছে। একজন কর্মীর আচরণের ভিত্তিতে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের সমস্ত পুরুষ প্রার্থীকে একই চোখে দেখা কতটা গ্রহণযোগ্য! সমাজ মাধ্যমে অনেকেই এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন।

সমালোচনা সত্ত্বেও সিদ্ধান্তে অটল
অন্যদিকে, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যে কোনও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বিতর্কের কেন্দ্রে তাই এখন একটি কঠিন প্রশ্ন: নিরাপত্তার ঝুঁকি কমাতে গিয়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত যোগ্যতা ও আচরণের বদলে আঞ্চলিক পরিচয়কে কতটা গুরুত্ব দেওয়া উচিত? প্রকাশ্য বিবৃতি অনুযায়ী, সমালোচনা সত্ত্বেও শেনয় এখনও তাঁর সিদ্ধান্তে অটল। তবে এই নীতি বাস্তবে কতটা কার্যকর করা হয়েছে বা এর কোনও আইনি পরিণতি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও তথ্য সামনে আসেনি।



