Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ত্রয়ণ চক্রবর্তী: বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর বক্তব্যে উঠে এসেছে প্রতীক নিয়ে তীব্র অসন্তোষ (Naushad Siddiqui)। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ নির্বাচনে যে ‘খাম’ প্রতীকে তাঁদের দল লড়াই করেছিল, রাতারাতি সেই প্রতীকই ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস তথা বিক্ষুব্ধপন্থী তৃণমূলকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওশাদের দাবি, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত তাঁদের প্রতি ‘চরম অন্যায়’।
ন্যায়ের আশায় আদালতের দ্বারস্থ (Naushad Siddiqui)
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তাঁদের পক্ষ। নওশাদ জানিয়েছেন, প্রতীক সংক্রান্ত মামলায় আদালতে নির্বাচন কমিশনের কাছে একাধিক প্রশ্ন রাখা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সেই প্রশ্নগুলির যথাযথ উত্তর কমিশনের আইনজীবীরা দিতে পারেননি।
আদালতের প্রশ্ন, কমিশনের জবাব নিয়ে প্রশ্ন (Naushad Siddiqui)
নওশাদের দাবি, শুনানিতে বিচারপতি প্রতীক বরাদ্দের প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, কমিশনের পক্ষ থেকে সেই প্রশ্নগুলির সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি। এই পরিস্থিতিতে পরবর্তী শুনানির দিকে তাকিয়ে রয়েছে তাঁদের দল।
‘খাম’ প্রতীক নিয়েই মূল আপত্তি (Naushad Siddiqui)
নওশাদের বক্তব্যের কেন্দ্রে রয়েছে ‘খাম’ প্রতীক। তিনি দাবি করেন, সাধারণ নির্বাচনে এই প্রতীক তাঁদের জন্য বরাদ্দ ছিল। তাঁর যুক্তি, উপনির্বাচনও বৃহত্তর নির্বাচনী প্রক্রিয়ারই একটি অংশ। তাই সাধারণ নির্বাচনে যে প্রতীক তাঁদের বরাদ্দ ছিল, উপনির্বাচনেও সেটি তাঁদের পাওয়ার কথা।
১০বি ফর্ম ও নোটিফিকেশন নিয়ে প্রশ্ন (Naushad Siddiqui)
প্রতীক বরাদ্দের নিয়ম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ভাঙড়ের বিধায়ক। তাঁর বক্তব্য, কোনও প্রতীক বরাদ্দের আগে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় ১০বি ফর্ম পূরণ এবং প্রয়োজনীয় নোটিফিকেশনের বিষয় থাকে। নওশাদের প্রশ্ন, উপনির্বাচনের জন্য ‘খাম’ প্রতীক অন্য পক্ষকে দেওয়ার আগে ঠিক কোন ফর্ম পূরণ করা হয়েছিল এবং কোন নোটিফিকেশন জারি করা হয়েছিল?
বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে আইনি লড়াই
এই আইনি লড়াইয়ে তাঁদের হয়ে প্রবীণ আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য সওয়াল করছেন বলে জানিয়েছেন নওশাদ। আদালতে প্রতীক বরাদ্দের প্রক্রিয়া ও নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়েই মূলত প্রশ্ন তোলা হয়েছে বলে তাঁর বক্তব্য।
‘আইনের জয় হবে’, আশাবাদী নওশাদ
আগামী শুনানির দিকে তাকিয়ে নওশাদ সিদ্দিকী জানিয়েছেন, আইন ও বিচারব্যবস্থার উপরই তাঁদের আস্থা রয়েছে। তাঁর আশা, আদালতের মাধ্যমে তাঁরা তাঁদের পুরনো ‘খাম’ প্রতীক ফিরে পাবেন। তবে শেষ পর্যন্ত প্রতীক নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হবে, তা আদালতের পরবর্তী শুনানি ও সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের উপরই নির্ভর করছে।



