Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতার ব্যস্ত ধর্মতলা এলাকায় মাদক পাচারের অভিযোগে কলকাতা পুলিশের STF-এর অভিযানে গ্রেফতার হল দুই ব্যক্তি (Kolkata Police)। দিঘা থেকে কলকাতাগামী একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে একটি ট্রলিব্যাগ থেকে বিপুল পরিমাণ সন্দেহভাজন মাদক উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শহরের অন্যতম ব্যস্ত পরিবহণকেন্দ্রে।

দিঘা থেকে আসা বাসেই মিলল সন্দেহজনক ট্রলিব্যাগ
তদন্তকারীদের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ধৃত দুই ব্যক্তি দিঘা থেকে একটি বাসে করে কলকাতায় আসছিলেন। ধর্মতলা এলাকায় বাসটি পৌঁছনোর পর গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি চালায় STF। সেই সময়ই একটি ট্রলিব্যাগের ভিতর থেকে মাদক উদ্ধার হয় বলে অভিযোগ। এরপরই দুই অভিযুক্তকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন তদন্তকারীরা(Kolkata Police)।
ওড়িশা থেকে কলকাতা হয়ে চন্দননগর? (Kolkata Police)
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ওড়িশা থেকে মাদক সংগ্রহ করে কলকাতা হয়ে চন্দননগরে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। সেই উদ্দেশ্যেই ধৃতরা বাসে করে মাদক নিয়ে কলকাতায় এসেছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মাদক পাচারের ক্ষেত্রে এই রুটকে কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল, সেই বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
বড় চক্রের সন্ধানে তদন্ত (Kolkata Police)
শুধু দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেই তদন্ত থামাতে চাইছে না STF। উদ্ধার হওয়া মাদক কোথা থেকে আনা হয়েছিল, এর পিছনে কোনও বড় পাচারচক্র রয়েছে কি না এবং চন্দননগরে কার কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল—সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মাদক পাচারচক্রের সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজনের নাম সামনে আসে কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে পুলিশের। একইসঙ্গে ওড়িশা থেকে কলকাতা হয়ে মাদক পাচারের এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে অন্য কোনও জেলার যোগ রয়েছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: Jogen Chowdhury: গুরুতর অসুস্থ যোগেন চৌধুরী, ভেন্টিলেশনে প্রখ্যাত শিল্পী
ধর্মতলায় STF-এর তৎপরতায় বড় সাফল্যের দাবি
শহরের প্রাণকেন্দ্রে মাদক পাচারের এই অভিযোগ ফের একবার কলকাতায় সক্রিয় পাচারচক্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। STF-এর এই অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদকের পরিমাণ ও প্রকৃতি নিয়ে বিস্তারিত পরীক্ষাও করা হবে। তদন্ত এগোলে এই চক্রের আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা।



