Last Updated on [modified_date_only] by Anustup Roy Barman
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: এজবাস্টন টেস্টে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের জয়ের পর গৌতম গম্ভীরের (Gautam Gambhir Post-Match Act) হাসি দেখে রবি শাস্ত্রীও অবাক হয়ে যান।
গম্ভীরের মুখে বিরল হাসি, ভারতীয় ক্রিকেটে গর্বের দিন (Gautam Gambhir Post-Match Act)
তারিখ ছিল ৬ জুলাই, ভেন্যু এজবাস্টন, এবং উপলক্ষ ছিল ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের ঐতিহাসিক টেস্ট জয় (Gautam Gambhir Post-Match Act)। এমন দিনে ভারতীয় দলের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের মুখে হাসি দেখা গেল। গম্ভীর সাধারণত কঠোর ও গম্ভীর মেজাজেই থাকেন, কিন্তু এই রবিবার ছিল অন্যরকম। ভারতীয় দলের জয় ও পারফরম্যান্সে খুশি হয়ে হাসলেন গম্ভীর, এবং সেটাই নজরে পড়ে গেল সকলের। শুভমান গিল ও গম্ভীর যখন ইংল্যান্ড দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে সৌজন্য করমর্দনে এগিয়ে গেলেন, তখন কোচ গম্ভীর সত্যিই উচ্ছ্বসিত মনে হচ্ছিলেন।
কী বললেন শাস্ত্রী?
কমেন্ট্রি বক্সে উপস্থিত রবি শাস্ত্রীও থেমে থাকতে পারেননি। তিনি চেনা ভঙ্গিতে মন্তব্য করেন, “এই হাসি বেশি দেখা যায় না, কিন্তু ও এটা পুরোপুরি প্রাপ্য। একজন কোচের জন্য এর থেকে ভালো অনুভব আর কিছু হতে পারে না — যখন আপনি সিরিজে ফিরে আসেন, প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই।”
টেস্টে প্রথম জয়ে উচ্ছ্বসিত গিল (Gautam Gambhir Post-Match Act)
ম্যাচ শেষে ভারতীয় অধিনায়ক শুভমান গিল বলেন (Gautam Gambhir Post-Match Act), “আমি খুব খুশি যে আমরা ম্যাচটা জিতেছি। আপনি যত রানই করুন না কেন, যদি দল জেতে না, তাহলে কিছু অর্জন করার অনুভূতি আসে না। এটা আমার অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্ট জয়, আর এমন একটা মাঠে জয়, যেখানে ভারত আগে কখনও জেতেনি, এটাকে আরও বিশেষ করে তোলে।” তিনি আরও বলেন, “মোটিভেশন সবসময় থাকে, হারি বা জিতি। প্রথম টেস্টে হারার পর আমরা চিন্তিত হইনি। এর আগেও ০-১ থেকে ফিরে এসেছি। আমরা জানতাম যদি ধারাবাহিকভাবে ৪০০–৪৫০ রান করতে পারি, তাহলে আমাদের বোলাররাই আমাদের ম্যাচে ফেরাবে।”
বুমরাহকে ছাড়াই বোলারদের অসাধারণ পারফরম্যান্স
শুভমান গিল জোর দিয়ে বলেন, “অনেক প্রশ্ন ছিল, আমরা কি ২০টি উইকেট নিতে পারব? বড় রান করতে পারব? কিন্তু আমরা জানতাম আগের ম্যাচেও আমরা খুব কাছাকাছি ছিলাম। যদি আমরা অর্ধেক ক্যাচও ধরতাম, তাহলে ফল অন্যরকম হতে পারত। আমি আমাদের পেসারদের জন্য বিশেষভাবে গর্বিত। যখন আপনার ফাস্ট বোলাররা ১৬–১৭টা উইকেট নেয়, তখন অধিনায়ক হিসেবে কাজটা অনেক সহজ হয়ে যায়।”
তিনি যোগ করেন, “বুমরাহ এই ম্যাচে খেলেনি, তবুও আমরা জিতেছি। এটা প্রমাণ করে ভারতের বোলিং বিভাগে গভীরতা আছে। আমাদের বোলাররা দেখিয়েছে, তারা দেশের সেরা এবং যে কোনও পরিস্থিতিতে ২০ উইকেট নিতে পারে।” এই জয়ের মাধ্যমে ভারত শুধু সিরিজে ফিরল না, বরং এজবাস্টনের মাটিতে ইতিহাসও গড়ল। আর গম্ভীরের সেই একটুখানি হাসি যেন সেই ইতিহাসেরই সাক্ষী হয়ে থাকল।


