Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তার (Gold Discovery) মাঝে ভারতের পক্ষ থেকে উঠে এল এক ইতিবাচক বার্তা। ওড়িশার একাধিক জেলায় সোনার খনি চিহ্নিত করেছে জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI)। এই খবরে নতুন করে চাঙ্গা হয়েছে খনিজ অর্থনীতির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা। সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, খুব শিগগিরই এই খনিগুলিকে বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগাতে শুরু হবে নিলামের প্রক্রিয়া।
কোন কোন এলাকায় সোনার মজুদ? (Gold Discovery)
জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার তরফে দেওয়া তথ্যে উল্লেখ (Gold Discovery) করা হয়েছে, ওড়িশার দেওগড় জেলার আদাসা-রামপল্লি অঞ্চল ছাড়াও, সুন্দরগড়, নবরঙ্গপুর, কেওনঝার, আঙ্গুল এবং কোরাপুট জেলার বিভিন্ন অংশে সোনার খনি থাকার সম্ভাবনা নিশ্চিত হয়েছে। এই খোঁজের পাশাপাশি আরও কয়েকটি জেলায় অনুসন্ধান চলছে, যার মধ্যে রয়েছে ময়ূরভঞ্জ, মালকানগিরি, সম্বলপুর এবং বৌদ্ধ। এই আবিষ্কারের কথা প্রকাশ্যে আসে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে, যখন রাজ্যের খনিমন্ত্রী বিভূতি ভূষণ জেনা ওড়িশা বিধানসভায় এই তথ্য জানান।
পরিমাণ কত হতে পারে? (Gold Discovery)
যদিও এখনো পর্যন্ত কোনো সরকারি পরিসংখ্যান সামনে আসেনি (Gold Discovery) , ভূতাত্ত্বিক বিশ্লেষকদের মতে, খনিগুলিতে ১০ থেকে ২০ মেট্রিক টন সোনার সম্ভাব্য মজুদ থাকতে পারে। এটি ভারতের বার্ষিক সোনা আমদানির তুলনায় খুবই সামান্য (২০২৪ সালের হিসেবে প্রায় ৭০০-৮০০ মেট্রিক টন আমদানি হয়েছিল)। তবে দেশীয় উৎপাদনের তুলনায় এই খনিগুলি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে, কারণ ২০২০ সালের হিসেবে ভারতের নিজস্ব সোনার উৎপাদন ছিল মাত্র ১.৬ মেট্রিক টন।
অর্থনৈতিক তাৎপর্য ও সরকারের পদক্ষেপ
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আবিষ্কার ভারতকে আন্তর্জাতিক গোল্ড ম্যাপে বড় স্থান না দিলেও, দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে এবং আমদানির উপর নির্ভরতা কিছুটা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। পাশাপাশি, ওড়িশার অর্থনীতিতে এটি একটি নতুন দিক খুলে দিতে পারে। ওড়িশা সরকার ইতিমধ্যেই রাজ্যের খনিজ উন্নয়ন সংস্থা OMC এবং GSI-এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে। দেওগড় জেলার একটি ব্লককে প্রথম ধাপে নিলামের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। এখন চলছে ভূতাত্ত্বিক মূল্যায়নের G3 পর্যায় থেকে G2 স্তরে উন্নীত করার কাজ।
আরও পড়ুন: Rahul Gandhi: ভোট চুরির অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ রাহুলের!
পরবর্তী ধাপ কী?
খনির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ, পরিবেশগত এবং সামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন (যেমন বিদ্যুৎ, জল, রাস্তাঘাট) এবং অবশেষে MMDR আইনের অধীনে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় খনি ব্লকগুলির নিলাম আয়োজন করা হবে। এই প্রকল্প সফল হলে ওড়িশা কেবল খনিজ ক্ষেত্রে নয়, জাতীয় অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এক নতুন দিশা দেখাতে সক্ষম হবে।


