Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: কাতারের রাজধানী দোহায় ইজরায়েলের সাম্প্রতিক হামলা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানালেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প(Trump On Strike In Qatar)। সোমবার নিউ জার্সি থেকে হোয়াইট হাউসে ফেরার পথে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প (Donald J. Trump) বলেন, ‘‘নেতানিয়াহু ওদের খুব সতর্ক থাকতে হবে। হামাসের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতেই হবে, তবে কাতার আমেরিকার ঘনিষ্ঠ বন্ধু।’’ কাতারের আমির তামিম বিন হামাদ আল থানিকে ‘অসাধারণ মানুষ’ হিসেবেও উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
হামাস-ইজরায়েল সংঘাতে কাতারের ভূমিকা (Trump On Strike In Qatar)
ইজ়রায়েল ও হামাসের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা প্রথম থেকেই পালন করে আসছে কাতার(Trump On Strike In Qatar)। গত সপ্তাহে দোহায় আমেরিকার সংঘর্ষবিরতির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় বসেছিলেন হামাস নেতারা। সেই বৈঠকের মাঝেই হানা দেয় ইজ়রায়েলি সেনা। হামাস নেতাদের নিশানা করেই ওই হামলা চালানো হয়েছিল বলে দাবি করে ইজ়রায়েল। যদিও সরাসরি কাতারের নাম উল্লেখ করেনি তারা। কিন্তু কাতারের অভিযোগ, নিরপেক্ষ রাষ্ট্রে হামলা চালিয়ে ইজ়রায়েল আন্তর্জাতিক আইন ভেঙেছে।
আমেরিকার প্রাথমিক নীরবতা ও ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া(Trump On Strike In Qatar)
প্রথম দিকে এই হামলার দায় থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রেখেছিল আমেরিকা। তবে পরে ট্রাম্প স্পষ্ট জানান, কাতার আমেরিকার ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং দোহায় বোমা হামলা ছিল ইজ়রায়েলের একতরফা সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের সঙ্গে কাতার শান্তি ফেরাতে কাজ করছে। এ ধরনের পদক্ষেপ শান্তির পথে অন্তরায়।’’
নেতানিয়াহুর পাল্টা যুক্তি ৯/১১ প্রসঙ্গ
অন্য দিকে, আমেরিকার অতীতের দৃষ্টান্ত টেনে নিজেদের পদক্ষেপকে সঠিক বলে দাবি করেন ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ভিডিয়োবার্তায় তিনি বলেন, ‘‘৯/১১ হামলার পর আমেরিকা কী করেছিল? সন্ত্রাসবাদীদের খুঁজে বের করে ধ্বংস করার প্রতিজ্ঞা নিয়েছিল(Trump On Strike In Qatar)। রাষ্ট্রপুঞ্জও তখন প্রস্তাব পাশ করেছিল যে কোনও দেশের সরকার সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দিতে পারবে না। আমরা সেই নীতি মেনেই হামাসের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করছি।’’

আরও পড়ুন : Anti Naxal Operation : ঝাড়খণ্ডে যৌথ বাহিনীর অভিযানে নিহত মাওবাদী নেতা সহদেব সোরেন
কূটনৈতিক টানাপড়েন
দোহায় হামলার ঘটনায় কাতারের তীব্র প্রতিক্রিয়া এবং আমেরিকার অবস্থান, ইজ়রায়েল-কাতার সম্পর্ককে নতুন করে উত্তপ্ত করেছে। ট্রাম্প যদিও কূটনৈতিক ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করেছেন। গত শুক্রবার নিউ ইয়র্কে কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৈশভোজ সেরেছেন তিনি। তার পরেই ফের নেতানিয়াহুকে সতর্ক করলেন।


