Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: তথ্য প্রযুক্তির জগতে গুগল এমন এক নাম (Switzerland Dream Job at Google), যেখানে চাকরি পাওয়া মানে জীবনের অন্যতম সাফল্য (Switzerland)। বিশ্বের লাখো মানুষ গুগলে কাজ করার স্বপ্ন দেখেন। সেই স্বপ্ন বাস্তব করেছিলেন সুইৎজারল্যান্ডের জুরিখে কর্মরত ফ্লোরেন্স পোয়েরেল। ৩৭ বছর বয়সী এই তরুণী গুগলের সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন, যার বার্ষিক বেতন ছিল প্রায় ৩.৪০ কোটি টাকা। গুগলের কর্মপরিবেশ, সহকর্মীদের সহযোগিতা, এবং কাজের আনন্দ সবই তাঁর ছিল। অথচ এমন সোনার খাঁচার চাকরি ছেড়ে দিলেন ফ্লোরেন্স।

হঠাৎ চাকরি ছাড়লেন? (Switzerland Dream Job at Google)
সূত্রের খবর একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ফ্লোরেন্স জানিয়েছেন, তিনি কখনওই গুগলের কাজ নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন না। তাঁর কথায়, “আমি আমার কাজ ভালোবাসতাম। সহকর্মীরা দারুণ ছিলেন। কিন্তু একদিন বুঝলাম, জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান হল সময় বিশেষত যাঁদের আমি ভালোবাসি তাঁদের সঙ্গে কাটানো সময়।” তাঁর সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ ছিল পারিবারিক সময় ও ব্যক্তিগত শান্তি। তিনি উপলব্ধি করেন, অবসরের বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করে ভালো সময় কাটানোর মানে নেই কারণ জীবন অপ্রত্যাশিত।

জীবনের নতুন অধ্যায় (Switzerland Dream Job at Google)
ফ্লোরেন্সের সঙ্গীও গুগলের অন্য একটি ইউনিটে কর্মরত ছিলেন। দু’জনেই মিলে ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রায় দশ বছর ধরে গুগলে কাজ করেছেন ফ্লোরেন্স। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি প্রায় ১.৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১২.৬ কোটি টাকা) সঞ্চয় করেছিলেন। সেই সঞ্চয়ই তাঁকে আগেভাগে অবসর নেওয়ার সাহস জুগিয়েছে।
কর্পোরেট দৌড় থেকে ‘লাইফ ব্যালান্স’ (Switzerland Dream Job at Google)
ফ্লোরেন্স বর্তমানে বাড়িতে বসে সময় নষ্ট করছেন না। বরং কর্পোরেট অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে শুরু করেছেন ‘ক্যারিয়ার গাইড কোচিং’ প্রোগ্রাম। এখন তিনি অন্যদের শেখাচ্ছেন, কীভাবে জীবনের সঙ্গে পেশাগত দিকের ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়।
তিনি বলেন, “আমি এখন সেই কাজই করছি, যা সত্যিই আমাকে শান্তি দেয়। আমি চাই মানুষ বুঝুক সাফল্য মানে শুধু বড় চাকরি নয়, নিজের জীবনকে ভালোবাসাও এক ধরনের সাফল্য।”
আরও পড়ুন: Gold Rate Today: দীপাবলির আগেই তরতরিয়ে বাড়ল সোনার দাম!
জীবনের নতুন সংজ্ঞা!
ফ্লোরেন্সের এই সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই অদ্ভুত মনে হতে পারে। কিন্তু তাঁর গল্প প্রমাণ করে আর্থিক নিরাপত্তা নয়, মানসিক তৃপ্তিই প্রকৃত সাফল্য। গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানে কোটি টাকার চাকরি ছেড়ে যিনি নিজের এবং প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানোকে বেছে নিয়েছেন, তিনি আজ অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন আধুনিক প্রজন্মের কাছে।



