Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শুক্রবার সকালেই ফের একবার (Kolkata Metro Service) বিপর্যয়ের মুখে পড়ল কলকাতা মেট্রো পরিষেবা। অফিস টাইমের ব্যস্ত মুহূর্তে হঠাৎ সিগন্যালিং ত্রুটির জেরে দমদম থেকে শোভাবাজার পর্যন্ত মেট্রো চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হন হাজার হাজার নিত্যযাত্রী। সকালে অফিস, স্কুল–কলেজে যাওয়ার তাড়াহুড়োর সময় এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন অনেকে।
পরিষেবা আপাতত বন্ধ (Kolkata Metro Service)
সূত্রের খবর অনুযায়ী, সকাল সাড়ে আটটার পর থেকেই মেট্রোর (Kolkata Metro Service) ঘোষণায় জানানো হয় যে অনিবার্য কারণে দক্ষিণেশ্বর থেকে শোভাবাজার পর্যন্ত পরিষেবা আপাতত বন্ধ রাখা হচ্ছে। হঠাৎ এই ঘোষণা শুনে হতচকিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। একের পর এক মেট্রো মাঝপথে থেমে যায় বিভিন্ন স্টেশনে। অনেক ট্রেন দীর্ঘক্ষণ প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকে, যাত্রীদের কামরা খালি করে দিতে বলা হয়। এই সময় যাত্রীরা দমদম, বেলগাছিয়া ও শোভাবাজারের মতো ব্যস্ত স্টেশনগুলিতে আটকে পড়েন। অনেকেই বাধ্য হয়ে মেট্রো ছেড়ে বাস, ট্যাক্সি বা অ্যাপ ক্যাবের আশ্রয় নেন। ফলে রাস্তাতেও শুরু হয় ব্যাপক যানজট ও অতিরিক্ত ভিড়।
সিগন্যালিং সংক্রান্ত সমস্যা (Kolkata Metro Service)
প্রাথমিকভাবে ঠিক কী কারণে এই বিভ্রাট, তা স্পষ্ট হয়নি (Kolkata Metro Service)। মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয় যে এটি মূলত সিগন্যালিং সংক্রান্ত সমস্যা, যা ঠিক করতে কিছুটা সময় লেগেছে। টেকনিক্যাল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ত্রুটি সারানোর কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টা পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং দমদম থেকে পুনরায় মেট্রো পরিষেবা চালু হয়। তবে সকাল সকাল যাত্রীরা যে সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন, তা সহজে ভোলার নয়।
যাত্রীদের ক্ষোভ
অনেক যাত্রী জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মতোই তাঁরা নিয়মিত সময়েই স্টেশনে পৌঁছেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ ঘোষণা শুনে তাঁরা বুঝে ওঠার আগেই ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। অনেকে জানান, অফিসে দেরি হয়ে যাওয়ায় তাঁদের বিপাকে পড়তে হয়েছে। এক যাত্রী বলেন, “প্রতিদিন দমদম থেকে পার্ক স্ট্রিট যাই। আজ সকালে ট্রেন হঠাৎ থেমে যায় বেলগাছিয়ায়। পরে জানানো হয়, পরিষেবা বন্ধ। অফিসে দেরি হয়ে গেল।”

আরও পড়ুন: Cyclone Mantha: ঘূর্ণিঝড় ‘মন্থা’র পরও থামেনি দুর্যোগ! উত্তরবঙ্গে জারি লাল সতর্কতা
মেট্রো কর্তৃপক্ষের দাবি, সমস্যাটি সাময়িক ছিল এবং দ্রুততার সঙ্গে মেরামত করা হয়েছে। তবুও নিয়মিত এই ধরনের প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে মেট্রোর নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষত সকালে ব্যস্ত সময়ে এই ধরনের ঘটনা ঘটলে হাজার হাজার মানুষের দৈনন্দিন জীবন বিঘ্নিত হয়। যাত্রীরা চাইছেন, ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে কর্তৃপক্ষ যেন আরও সতর্ক পদক্ষেপ নেয়।


