Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পাকিস্তানে নতুন এক সাংবিধানিক পরিবর্তন ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক (Pakistan)। প্রস্তাবিত ২৭তম সংবিধান সংশোধনী দেশটির রাজনীতি ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর প্রশ্ন তুলেছে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে কার্যত সেনাবাহিনীকে দেশের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বড় সিদ্ধান্তে সেনার মতামত বাধ্যতামূলক (Pakistan)
ইসলামাবাদে শাসক জোটের উদ্যোগে এই সংশোধনী সংসদে পেশ করা হয়েছে। খসড়া অনুযায়ী, “জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ”-এর নেতৃত্বে থাকবে সেনাপ্রধান এবং দেশের নীতি, অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতির বড় সিদ্ধান্তে সেনাবাহিনীর মতামত বাধ্যতামূলক করা হবে। এতে কার্যত বেসামরিক সরকারের ভূমিকা সীমিত হয়ে পড়বে।
আইনি ও সাংবিধানিক বৈধতা (Pakistan)
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের ইতিহাসে সেনাবাহিনীর প্রভাব নতুন কিছু নয়। দেশটি প্রায় অর্ধেক সময়ই সামরিক শাসনের অধীনে ছিল। তবে এবার সেই প্রভাবকে আইনি ও সাংবিধানিক বৈধতা দেওয়া হচ্ছে, যা পাকিস্তানের গণতন্ত্রের জন্য এক বড় ধাক্কা। বিরোধী দলগুলো একে “গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক” বলে আখ্যা দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদের ক্ষমতা নামমাত্র (Pakistan)
আইনজীবী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, এই সংশোধনী পাস হলে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদের ক্ষমতা প্রায় নামমাত্র হয়ে যাবে। আন্তর্জাতিক মহল থেকেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনীতিকরা বলেছেন, পাকিস্তানের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য সেনাবাহিনীর প্রভাব আরও বাড়ানো বিপজ্জনক পদক্ষেপ হতে পারে।
আরও পড়ুন: Riju Biswas: মহিলাদের বিরক্ত করতেন ‘ নিখিল ‘? অভিনেতার বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ

দেশের আনুষ্ঠানিক মালিকানা সেনার
যদিও সেনাবাহিনী দাবি করছে, সংশোধনীর লক্ষ্য শুধু “জাতীয় নিরাপত্তা শক্তিশালী করা” — কিন্তু সমালোচকদের মতে, এর মাধ্যমে সেনাবাহিনী কার্যত দেশের আনুষ্ঠানিক মালিকানা প্রতিষ্ঠা করতে চলেছে। এখন সবার নজর সংসদের ভোটাভুটিতে, যা পাকিস্তানের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে।



