Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রাক্তন মার্কিন জাতিসংঘের দূত নিকি হ্যালির ছেলে (Us Immigration), নলিন হ্যালি, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে আইনি অভিবাসন সম্পূর্ণ বন্ধের দাবি জানিয়ে বিতর্কের শিরোনামে উঠে এলেন। তাঁর মন্তব্য দেশজুড়ে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম নিয়েছে। একই সঙ্গে অন্য রাষ্ট্রকে সহায়তা দেওয়াও বন্ধ করা উচিত বলেই মনে করেন নলিন।
অতিরিক্ত অভিবাসীতে কর্মসংস্থানে বাধা (Us Immigration)
নলিন সামাজিক মাধ্যমে এক ভিডিও (Us Immigration) বার্তায় বলেন, “আমার বন্ধুরা স্নাতক শেষ করেছে, কিন্তু তারা চাকরি পাচ্ছে না। অথচ বিদেশ থেকে মানুষ এসে কাজের সুযোগ পাচ্ছে। এখনই সময় আমেরিকার জন্য অভিবাসন বন্ধ করার।” তিনি যুক্তি দেন যে, অতিরিক্ত অভিবাসী শ্রমিক যুক্তরাষ্ট্রের তরুণদের কর্মসংস্থানে বাধা সৃষ্টি করছে।
কড়া সমালোচনার মুখে নলিন হ্যালি (Us Immigration)
এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে (Us Immigration) । ডেমোক্র্যাটরা হ্যালির মন্তব্যকে অজ্ঞতায় ভরা ও বিভাজনমূলক বলে সমালোচনা করেছেন। তাঁদের দাবি, আমেরিকার অর্থনীতি বহুদিন ধরেই অভিবাসীদের ওপর নির্ভরশীল — বিশেষ করে প্রযুক্তি, কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতে।
রিপাবলিকানদের একাংশের সমর্থন
অন্যদিকে, রিপাবলিকান সমর্থকদের একাংশ নলিনের বক্তব্যের পক্ষে সুর মিলিয়েছেন। তাঁদের মতে, সীমিত অভিবাসন নীতি আমেরিকার তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান বাড়াতে সহায়ক হবে। চব্বিশ বছরের নলিন সাম্প্রতিকে ডানপন্থী মন্তব্যের জন্য বিতর্কের শিরোনামে উঠে এসেছে। ফিনান্স কোম্পানিতে কাজ করা এই যুবক মনে করেন বর্তমান পরিস্থিতি কোনওভাবেই পরিস্থিতির অনুকূল নয়।

ভারসাম্যপূর্ণ অভিবাসন নীতি:নিকি হ্যালি
নিকি হ্যালি নিজে এই বিতর্কে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও, তিনি অতীতে বলেছেন যে অভিবাসন নীতি ভারসাম্যপূর্ণ হওয়া উচিত — যাতে আমেরিকার অর্থনৈতিক প্রয়োজন ও জাতীয় নিরাপত্তা দুটিই রক্ষা পায়।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: ডি লিট পাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, জাপান থেকে আসছে প্রতিনিধি দল
বিতর্ক উসকে দিলেন নলিন
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনের প্রাক্কালে অভিবাসন ইস্যুটি রিপাবলিকানদের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। নলিন হ্যালির এই বক্তব্য সেই বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন ও চাকরির প্রশ্ন এক বড়সড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে সেদেশের সমাজকে।


