Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লির মহিপালপুরে র্যাডিসন হোটেলের সামনে আচমকা এক জোরাল বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্ক ছড়ায় (Delhi Mahipalpur Blast Sound)। সকাল ৯টা ১৮ মিনিট নাগাদ দমকল বিভাগে ফোন আসে। পুলিশও তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। মাত্র তিন দিন আগেই লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনার পর ফের এই শব্দে স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়ায় গোটা এলাকায়। স্থানীয়রা প্রথমে ধারণা করেন, এটি হয়তো আরেকটি নাশকতামূলক বিস্ফোরণ।
“গুরুগ্রাম যাওয়ার পথে হঠাৎ শব্দ শুনি” (Delhi Mahipalpur Blast Sound)
এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, তিনি তখন গুরুগ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন। র্যাডিসন হোটেলের সামনে পৌঁছনোর সময় হঠাৎ জোরালো শব্দ শোনেন। তিনি সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে ফোন করে জানান ঘটনাটি। পুলিশ ও দমকলের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে ফেলে এবং তদন্ত শুরু করে। প্রথমে আশঙ্কা করা হচ্ছিল, এটি কোনও বিস্ফোরক বা নাশকতামূলক হামলা হতে পারে।
বিস্ফোরণ নয়! (Delhi Mahipalpur Blast Sound)
তবে কিছুক্ষণের তদন্তের পর পুলিশের হাতে আসে চমকপ্রদ তথ্য। কোনও বিস্ফোরণ বা আগুনের চিহ্ন মেলেনি। পরে জানা যায়, আসলে একটি ডিটিসি (DTC) বাসের পিছনের টায়ার ফেটে সেই জোরাল শব্দটি হয়েছিল। হোটেলের নিরাপত্তারক্ষীও বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বাসটি ধৌলা কুয়ার দিকে যাচ্ছিল এবং হঠাৎ টায়ার ফেটে যায়। শব্দটি এতটাই জোরালো ছিল যে অনেকেই সেটিকে বিস্ফোরণ বলে ভুল করেন।
লালকেল্লার কাছে সত্যিকারের বিস্ফোরণ (Delhi Mahipalpur Blast Sound)
তবে তিন দিন আগের ঘটনাটি একেবারেই অন্যরকম। সোমবার সকালে দিল্লির লালকেল্লার কাছে ঘটে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ। সাদা রঙের একটি আই–২০ গাড়িতে ঘটে বিস্ফোরণ, এরপর পরপর আরও কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরে যায়। ফলস্বরূপ মৃত্যু হয় অন্তত ১২ জনের, আহত হন আরও অনেকে। ওই ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে জারি ছিল সতর্কতা।
আরও পড়ুন: Red Fort Blast 2025: পুলওয়ামার ডঃ উমরই কি সেই ‘মৃত স্টিয়ারিংম্যান’?
চিকিৎসকদের নাশকতা চক্র
লালকেল্লার বিস্ফোরণ নিয়ে তদন্তে উঠে এসেছে বিস্ময়কর তথ্য। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ঘটনার সঙ্গে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের যোগ স্পষ্ট হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ড. উমর নবি, যিনি বিস্ফোরক বোঝাই গাড়িতে ছিলেন। তদন্তে উঠে এসেছে, ওই বিস্ফোরক মজুত ছিল আরেক চিকিৎসক মুজাম্মিলের ভাড়া নেওয়া বাড়িতে। চক্রটির নেতৃত্বে ছিলেন এক মহিলা চিকিৎসক শাহিন শাহিদ, যিনি সহকর্মীদের মাধ্যমে গোটা পরিকল্পনা তৈরি করেন। জানা গিয়েছে, এরা সবাই আল-ফালাহ মেডিক্যাল কলেজে কর্মরত ছিলেন।



