Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা ১ নম্বর ব্লকের ছেতিয়ানিতে শনিবার বাবরি মসজিদের (Babri Masjid) শিলান্য়াস অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন সাসপেন্ড হওয়া তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর অযোধ্যায় ধ্বংস হওয়া বাবরি মসজিদের স্মরণে এই উদ্যোগ দেশজুড়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। শিলান্য়াস অনুষ্ঠানে হুমায়ুন জানান, “শুধুমাত্র তিন কাঠা জায়গার ওপর, এত বিরোধিতার মধ্যেও আমরা আজ ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করছি। এই ২৫ বিঘা জমির মধ্যে হাসপাতাল, বিশ্ব বিদ্যালয় ও পার্ক তৈরি হবে।”
প্রকল্প অর্থ (Babri Masjid)
হুমায়ুন বলেন, এই প্রকল্পে যে অর্থ লাগবে, তার বড় অংশ (Babri Masjid) মুর্শিদাবাদ, মালদা, উত্তর দিনাজপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি ও দুই মেদিনীপুরের মানুষই দেবেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন, “রাজ্য সরকারের টাকায় আমি মসজিদ করব না। এতে মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট হবে। এটি আমি কোনওমতেই গ্রহণ করব না।”

জোর তোড়জোড় (Babri Masjid)
শিলান্য়াসের আয়োজনকে কেন্দ্র করে হুমায়ুন কবীরের (Babri Masjid) অনুগামীদের মধ্যে জোর তোড়জোড় দেখা গেছে। ব্যানারের নীচে আয়োজক হিসেবে হুমায়ুনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ছেতিয়ানির মাঠ ঘুরে দেখেছেন তিনি, যেখানে মসজিদ নির্মাণ হবে। এই প্রকল্পের সঙ্গে থাকবে ইসলামিক হাসপাতাল, গেস্ট হাউস এবং হেলিপ্যাড।
চরম আলোড়ন তৈরি
রাজনীতির সঙ্গে ধর্ম মিলিয়ে এই উদ্যোগ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে চরম আলোড়ন তৈরি করেছে। কংগ্রেস এবং অন্য বিরোধী দলগুলি প্রশ্ন তুলেছে, “আইনশৃঙ্খলা, নদী ভাঙন বা পরিবেশগত সমস্যার মতো গুরুতর বিষয়গুলোর পরিবর্তে কেন ভোটের আগে ধর্মকে সামনে আনা হচ্ছে?”

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: রাজ্যে সাম্প্রদায়িক অশান্তির বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে: মমতা
হুমায়ুনের এই পদক্ষেপ দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে সমালোচনা ও সমর্থন উভয়ই পাচ্ছে। একদিকে তার অনুগামীরা এটিকে ধর্ম ও শিক্ষার উন্নয়নের উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে বিরোধীরা এটিকে ভোটকে কেন্দ্র করে ধর্ম ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছেন।


