Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাংলাদেশ পুলিশ হিন্দু শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত ইয়াসিন আরাফাতকে গ্রেফতার করেছে(Dipu Das)। ঢাকার ডেমরা থানার অধীন সারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ অভিযানে ঢাকা মহানগর পুলিশের সহায়তা নেওয়া হয়।
প্রাক্তন মাদ্রাসা শিক্ষক ও ইমাম গ্রেফতার (Dipu Das)
২৫ বছর বয়সি ইয়াসিন আরাফাত একজন প্রাক্তন মাদ্রাসা শিক্ষক ও ইমাম। তিনি গাজি মিয়ার ছেলে এবং ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার দক্ষিণ হবিরবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। গ্রেফতারের আগে তিনি শেখাবাড়ি মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং প্রায় ১৮ মাস একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেছেন।
ইয়াসিন উগ্র জনতাকে নেতৃত্ব দেন (Dipu Das)
অভিযোগ অনুযায়ী, ইয়াসিনই সেই উগ্র জনতাকে নেতৃত্ব দেন যারা ময়মনসিংহ জেলার একটি কারখানার গেটে দীপু চন্দ্র দাসের ওপর হামলা চালায়। পরে তার মরদেহ টেনে স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় নিয়ে গিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।
ভুয়ো পরিচয়ে শিক্ষকতা (Dipu Das)
১৮ ডিসেম্বর দীপু চন্দ্র দাস হত্যার পর ইয়াসিন প্রায় দুই সপ্তাহ আত্মগোপনে ছিলেন। এই সময়ে তিনি ঢাকার বিভিন্ন মাদ্রাসায় অবস্থান পরিবর্তন করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আত্মগোপনে থাকাকালীন তিনি ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করে সুফফা মাদ্রাসায় একটি শিক্ষকের চাকরিও জোগাড় করেন।
আরও পড়ুন: Shooting: জাতীয় শুটিং কোচের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ: পকসো আইনে মামলা, সাময়িক বরখাস্ত কোচ
ঘটনায় ২১ জন গ্রেফতার (Dipu Das)
এ পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর মধ্যে নয়জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এই গ্রেফতার এমন এক সময়ে হল, যখন বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর ছাত্রনেতা ও আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ মুখ শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে সন্ত্রাস ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে।



