Last Updated on [modified_date_only] by Ananya Dey
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল : এসএসসি মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। বয়স ছাড়ের মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের উপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। সবপক্ষকেই নোটিশ জারি করেছে আদালত। সব পক্ষকে হলফনামা জমা দিতে হবে। সেই সঙ্গে শুধুমাত্র যে সমস্ত প্রার্থীরা কর্মরত অবস্থায় চাকরি হারিয়েছেন, শুধুমাত্র তাঁদের ক্ষেত্রেই বয়সের ছাড় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী দুই সপ্তাহ পর।
হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টে মামলা (Supreme Court)
২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা সুযোগ পাননি বা ওয়েটিং লিস্টে ছিলেন বা যোগ্য হয়েও চাকরি পাননি, তারা নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বয়সের ছাড় পাবেন বলে গত ১২ ডিসেম্বর নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিমকোর্টে (Supreme Court) মামলা গড়ায়। সোমবার সেই মামলাতেই বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিনোদ চন্দ্রনের ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ যোগ্য কিন্তু পরীক্ষায় সুযোগ না পাওয়া প্রার্থীদের জন্য নতুন করে পরীক্ষার সুযোগ করে দেওয়ার পক্ষপাতী নয় আদালত। এই পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের ওপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিমকোর্ট।
হাইকোর্টের নির্দেশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি (Supreme Court)
গত বছরের এপ্রিল মাসে ২০১৬ এসএসসির গোটা প্যানেল বাতিল করে দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) তৎকালীন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। সেই রায় দিতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিলেন যারা দাগি নন তারা বয়সে ছাড় পাবেন এবং নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। এমনকি বয়সসীমা পেরিয়ে গেলেও তাঁরা আবেদন করতে পারবেন। এই রায়ের ব্যাখ্যা চেয়ে এবং বয়সে ছাড়ের দাবি নিয়ে কিছু নতুন চাকরিপ্রার্থী কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন। তাঁরা ২০১৬ সালের নিয়োগপর্বে ছিলেন না, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও দুর্নীতির অভিযোগও ছিল না। তাই একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগে অংশ নিতে বয়সে ছাড়ের আবেদন জানান তাঁরা। এই মামলাকারী চাকরিপ্রার্থীদের অধিকাংশই ২০১৬ প্যানেলের ওয়েটিং লিস্টে ছিলেন। যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও নম্বরের কারণে তাঁরা ইন্টারভিউতে ডাক পাননি। সেই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। গত ১৩ ডিসেম্বর বিচারপতি সিনহা বয়স ছাড়ের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সোমবার সেই নির্দেশেই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট।
আরও পড়ুন : Naushad Siddiqui: এবার নওশাদ সিদ্দিকীকে ডাকা হল SIR শুনানিতে
মামলাকারীরা এই ক্যাটাগরিতে পড়ছেন না
সোমবার এই মামলার শুনানিতে রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে সকালে দাবি করেন দুজনকে ছাড় দেওয়া হলে নতুন করে দু লক্ষ চল্লিশ হাজার প্রার্থীকে পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিতে হবে। তাতে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া ও নিশ্চয়তার মধ্যে পড়বে। শুনানি শেষে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, কলকাতা হাইকোর্ট এঁদের সকলকে ইন্টারভিউয়ে ডাকার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ওই নিয়োগ প্রক্রিয়া যারা চাকরি করতেন তাদের জন্য। কিন্তু মামলাকারীরা এই ক্যাটাগরিতে পড়ছেন না।
সবপক্ষকেই নোটিশ জারি সুপ্রিম কোর্টের নোটিশ জারি
সোমবার সুপ্রিম কোর্ট সবপক্ষকেই নোটিশ জারি করেছে। এবং সব পক্ষকে হলফনামা জমা দিতে হবে বলেও জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সেই সঙ্গে শুধুমাত্র যে সমস্ত প্রার্থীরা কর্মরত অবস্থায় চাকরি হারিয়েছেন শুধুমাত্র তাঁদের ক্ষেত্রেই বয়সের ছাড় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী দুই সপ্তাহ পর।


