Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: স্মার্টফোন ব্যবহার করতে গিয়ে অনেকেরই (Google) অভিজ্ঞতা-কোনও একটি বিষয় নিয়ে ফোনে কথা বললেন, কিছুক্ষণ পরেই সেই বিষয় ঘিরে বিজ্ঞাপন ভেসে উঠছে স্ক্রিনে। তখন স্বাভাবিক ভাবেই মনে প্রশ্ন আসে, গুগল কি আমাদের কথোপকথন শুনছে? বিষয়টি পুরোপুরি গোপন নজরদারি নয়, আবার একেবারে ভিত্তিহীন সন্দেহও নয়। এর নেপথ্যে রয়েছে গুগলের একটি নির্দিষ্ট ফিচার, যার নাম ভয়েস অ্যান্ড অডিও অ্যাক্টিভিটি।
গুগল অ্যাকাউন্টের সঙ্গেই যুক্ত (Google)
এই ফিচারটি মূলত গুগল অ্যাকাউন্টের (Google) সঙ্গেই যুক্ত। আপনি যখন “Hey Google” বা “Ok Google” বলে কোনও প্রশ্ন করেন, কিংবা ভয়েস সার্চ ব্যবহার করেন, তখন সেই অডিও কমান্ড গুগল সেভ করে রাখতে পারে। গুগলের দাবি, ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বর চিনে আরও নির্ভুল উত্তর দেওয়ার জন্যই এই তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। অর্থাৎ, এটি মূলত পরিষেবার মান উন্নত করার জন্য তৈরি।

অনুমতি ছাড়া কি রেকর্ডিং হয়? (Google)
তবে প্রশ্ন হল-অনুমতি ছাড়া কি রেকর্ডিং হয়? (Google) গুগলের নীতি অনুযায়ী, ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া নিয়মিত কথাবার্তা রেকর্ড করা হয় না। কিন্তু অনেক সময় ভুল করে ফোনের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট চালু হয়ে যেতে পারে। এই ‘অ্যাক্সিডেন্টাল অ্যাক্টিভেশন’-এর কারণেই অজান্তে কিছু অডিও সেভ হয়ে যায়, যা থেকে বিভ্রান্তির জন্ম নেয়।
‘ডেটা অ্যান্ড প্রাইভেসি’
ভালো খবর হল, আপনি চাইলে নিজেই দেখতে পারেন গুগল আপনার কোন কোন ভয়েস কমান্ড সেভ করেছে। গুগল অ্যাকাউন্টের ‘ডেটা অ্যান্ড প্রাইভেসি’ বিভাগে গিয়ে ‘মাই অ্যাক্টিভিটি’ অপশনে ঢুকলেই ভয়েস রেকর্ডগুলির তালিকা পাওয়া যায়। সেখানে তারিখ, সময় এমনকি অডিও শোনার সুবিধাও থাকে।

অটো-ডিলিট চালু করা
এছাড়া চাইলে এই রেকর্ড ডিলিট করা বা ভবিষ্যতে সেভ হওয়া বন্ধ করাও সম্ভব। নির্দিষ্ট সময় পর পর অটো-ডিলিট চালু করা যায়, কিংবা পুরো ভয়েস অ্যাক্টিভিটি অপশনই বন্ধ করে দেওয়া যায়। সঙ্গে সঙ্গে ফোনের অ্যাপ পারমিশন পরীক্ষা করা, অপ্রয়োজনীয় মাইক্রোফোন অ্যাক্সেস বন্ধ রাখা এবং নিয়মিত অ্যাক্টিভিটি লগ দেখা-এই অভ্যাসগুলো গোপনীয়তা রক্ষায় ভীষণ জরুরি।
আরও পড়ুন: Jaggery vs Dates: চিনি ছাড়ার ট্রেন্ডে গুড় না খেজুর-কোনটা বেশি স্বাস্থ্যকর?
সব মিলিয়ে বলা যায়, গুগল সরাসরি আড়ি পাতে না, কিন্তু প্রযুক্তি ব্যবহারে সচেতন না হলে ব্যক্তিগত তথ্যের নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া হতে পারে। সচেতনতাই এখানে সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।


