Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: যার অভিযোগের ভিত্তিতে সন্দীপ ঘোষের সাম্রাজ্যে প্রথম ফাটল ধরেছিল, এবার সেই ‘তদন্তকারী’র বিরুদ্ধেই গ্রেফতারের নির্দেশ! আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় নয়া মোড়। এবার প্রাক্তন ডেপুটি সুপার (নন-মেডিক্যাল) আখতার আলির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করল আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালত(Akhtar Ali)।
কেন কড়া পদক্ষেপ আদালতের? (Akhtar Ali)
শুক্রবার আরজি কর দুর্নীতি মামলায় সিবিআই আদালতে আখতার আলির হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যথারীতি তিনি গরহাজির। আদালতে তাঁর আইনজীবী, সঞ্জয় দাশগুপ্ত এর দাবি আখতার আলি গুরুতর অসুস্থ। তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং চিকিৎসকরা তাঁকে পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন। তবে আদালতের কাছে এই ‘অসুস্থতার তত্ত্ব’ ধোপে টেকেনি।
হাজিরা এড়াতেই অসুস্থতার নাটক!
সিবিআই-এর আইনজীবীরা পাল্টা দাবি করেন, হাজিরা এড়াতেই এই অসুস্থতার নাটক সাজানো হচ্ছে। গত ৪ তারিখে হাইকোর্টে তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ার পরই এই ‘অসুস্থতা’ নিয়ে সন্দেহ দানা বাঁধে। বিচারক সব দিক খতিয়ে দেখে শেষমেশ কড়া হাতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।
অভিযোগের তির এবার ‘অভিযোগকারীর’ দিকেই (Akhtar Ali)
একটা সময় আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের দুর্নীতির হাঁড়ি হাটে ভেঙেছিলেন এই আখতার আলিই। কিন্তু সিবিআই তদন্ত এগোতেই দেখা যায়— যিনি চোর ধরছিলেন, তার ঘরেই নাকি চুরির মাল! তদন্তকারীদের
বিস্ফোরক দাবি (Akhtar Ali)
বিভিন্ন সংস্থাকে বেআইনিভাবে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে বড় অঙ্কের টাকা ঢুকেছে আখতারের স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। বিদেশে ভ্রমণের যাবতীয় খরচও জুগিয়েছে সেই সমস্ত সুবিধাভোগী সংস্থাগুলো। সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে প্রথম দুর্নীতির তোপ দেগেছিলেন আখতার। সেই সূত্র ধরেই সিবিআই তদন্ত শুরু হয়। কিন্তু এখন জাল গুটিয়ে আসছে খোদ অভিযোগকারীর দিকেই।
কাঠগড়ায় হুইসল ব্লোয়ার (Akhtar Ali)
রাজ্যের অন্যতম বড় এই দুর্নীতি মামলায় একের পর এক মুখোশ খুলছে। যিনি দুর্নীতির পর্দাফাঁস করেছিলেন, আজ তিনিই কাঠগড়ায়। এখন দেখার, সিবিআই এই ‘কীর্তিমান’ ডেপুটি সুপারকে কবে জেলবন্দী করতে পারে।



