Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পাহাড়ি রাজ্য সিকিমে টানা কয়েক দিনের (Sikkim Earthquake) ভূকম্পন ঘিরে বাড়ছে উৎকণ্ঠা। সাধারণত ভূমিকম্পের পর আফটার শকের কথা শোনা গেলেও, একটানা চার দিন ধরে বারবার কেঁপে ওঠা বিরল ঘটনা বলেই মনে করছেন ভূতত্ত্ববিদদের একাংশ। শুক্রবার গভীর রাত থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত মোট ৩৯ বার কম্পন অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে মাত্রা তুলনামূলক কম-৩ থেকে ৪-এর মধ্যে থাকলেও, থামাহীন এই নড়াচড়াই চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে।
প্রথম কম্পনের প্রভাব (Sikkim Earthquake)
প্রথম কম্পনের প্রভাব পড়েছিল উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ (Sikkim Earthquake) এলাকায়। তার পর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একের পর এক কম্পন-প্রায় ঝাঁকের মতো। মঙ্গলবার সকালেও নামচি, মঙ্গনের মতো এলাকায় আবার কেঁপে ওঠে মাটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ধারাবাহিক কম্পনকে ‘ফোর শক’ বলা হয়, যা অনেক সময় বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস হতে পারে। তাই পরিস্থিতিকে হালকা ভাবে দেখার কোনও সুযোগ নেই বলেই মত তাঁদের।

ইতিমধ্যেই সতর্কতা জারি (Sikkim Earthquake)
সিকিমের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর ইতিমধ্যেই সতর্কতা জারি করেছে। বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ের জায়গা চিহ্নিত রাখতে বলা হয়েছে। পর্যটকদের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ, সারা বছরই বাঙালি পর্যটকদের যাতায়াত থাকে এই রাজ্যে। সিকিমে বড়সড় কম্পন হলে তার প্রভাব যে পশ্চিমবঙ্গেও পড়তে পারে, সে বিষয়ে দ্বিমত নেই।

আরও পড়ুন: Black Hole Burps: নক্ষত্র গিলে ‘ঢেঁকুর’ তুলছে কৃষ্ণগহ্বর! মহাকাশে অভূতপূর্ব দৃশ্য
এত ঘন ঘন ভূকম্পনের নেপথ্যে মানবসৃষ্ট কারণ আছে কি না, তা নিয়েও চলছে আলোচনা। পাহাড় কেটে রাস্তা, জলাধার নির্মাণ, রেলপথ তৈরির জন্য বিস্ফোরণ-এই সব কার্যকলাপ ভূগর্ভস্থ ভারসাম্য নষ্ট করছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো এখনও বাকি।


