Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: এক সময় পাকা চুল মানেই (White Hair) বার্ধক্যের ছাপ-এমনটাই ভাবা হত। কিন্তু এখন ছবিটা বদলেছে। কুড়ির কোঠায় পা দেওয়ার আগেই বা কলেজ জীবনেই অনেকের মাথায় ধূসর চুল চোখে পড়ছে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এটা কি নিছক সৌন্দর্যজনিত সমস্যা, না কি শরীরের ভেতরে লুকিয়ে থাকা কোনও অসুখের ইঙ্গিত?
চুলের স্বাভাবিক রং (White Hair)
চুলের স্বাভাবিক রং তৈরি হয় মেলানিন (White Hair) নামের একটি রঞ্জক পদার্থের মাধ্যমে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই মেলানিনের উৎপাদন কমে যাওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু যখন অল্প বয়সেই সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়, তখন তার নেপথ্যে কিছু শারীরিক কারণ থাকতে পারে বলে চিকিৎসাবিজ্ঞান মনে করছে।
গবেষণা (White Hair)
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কম বয়সে চুল পাকার সঙ্গে ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতির যোগ থাকতে পারে। এই ভিটামিন স্নায়ু ও রক্তকণিকার জন্য অত্যন্ত জরুরি। ঘাটতি হলে শুধু ক্লান্তি বা দুর্বলতা নয়, চুলের রঙেও প্রভাব পড়ে।
আরও পড়ুন: Banglar Yuva Sathi 2026: আরও এগিয়ে এল দিন, ‘বাংলার যুব-সাথী’ প্রকল্প কবে থেকে শুরু হচ্ছে?
একই ভাবে থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলেও চুল দ্রুত ধূসর হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েডিজমে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।কিছু অটোইমিউন রোগেও চুলের রং নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। যেমন ভিটিলিগো বা অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা-র ক্ষেত্রে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিজেই রঞ্জক কোষের উপর আক্রমণ করে। ফলে চুল আগেভাগেই পেকে যেতে পারে।
মানসিক চাপ
এ ছাড়া আধুনিক জীবনের মানসিক চাপও বড় ভূমিকা নিচ্ছে। দীর্ঘদিনের স্ট্রেস শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বাড়িয়ে দেয়, যা চুলের রঙ ধরে রাখার স্টেম সেল ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। রাত জাগা, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, দূষণ এবং অতিরিক্ত কেমিক্যালযুক্ত হেয়ার প্রোডাক্ট এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।


