Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মাসিক এক-দু’দিন দেরি হলেই (Menstrual Cycle Delay) অনেকের মনে অযথা দুশ্চিন্তা বাসা বাঁধে। অনেকেই ভাবেন, নিশ্চয়ই বড় কোনও শারীরিক সমস্যা হয়েছে বা গর্ভধারণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মাসিক পিছিয়ে যাওয়া মানেই সবসময় বিপদের সংকেত নয়। বর্তমান জীবনযাপনের নানা পরিবর্তনই মাসিক চক্রে সাময়িক প্রভাব ফেলতে পারে।
মাসিক নিয়ন্ত্রণের মূল কেন্দ্র (Menstrual Cycle Delay)
স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, মাসিক নিয়ন্ত্রণের মূল (Menstrual Cycle Delay) কেন্দ্র হলো হরমোনের সূক্ষ্ম সমন্বয়। মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস ও পিটুইটারি গ্রন্থি এবং ডিম্বাশয় একসঙ্গে কাজ করে এই চক্র সচল রাখে। এই সমন্বয়ে সামান্য বিঘ্ন ঘটলেই ডিম্বস্খলনে দেরি হতে পারে, আর তার ফলেই পিছিয়ে যায় পিরিয়ড।
পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব (Menstrual Cycle Delay)
মানসিক চাপ একটি (Menstrual Cycle Delay) বড় কারণ। অতিরিক্ত স্ট্রেসে শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়, যা ডিম্বস্খলন বিলম্বিত করতে পারে। ফলে নির্ধারিত সময়ে মাসিক নাও হতে পারে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবও হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে। বিশেষত যারা রাত জাগেন বা অনিয়মিত শিফটে কাজ করেন, তাঁদের মধ্যে মাসিক অনিয়ম তুলনামূলক বেশি দেখা যায়।

ওজন কমা বা বাড়া
হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া বা বেড়ে যাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দ্রুত ওজন হ্রাস পেলে শরীর প্রজনন প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে পারে। আবার অতিরিক্ত মেদ শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বাড়িয়ে চক্রকে অস্বাভাবিক করে তুলতে পারে। অতিরিক্ত কঠোর শরীরচর্চা এবং কম ক্যালোরিযুক্ত খাবার একসঙ্গে চললেও একই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আরও পড়ুন: Shivratri Special Train: তারকেশ্বরে ভক্তসমাগমে নজর, হাওড়া থেকে বিশেষ ট্রেনের ঘোষণা
খাদ্যাভ্যাসের ক্ষেত্রেও সচেতনতা
খাদ্যাভ্যাসের ক্ষেত্রেও সচেতনতা জরুরি। প্রোটিন, আয়রন ও স্বাস্থ্যকর চর্বির ঘাটতি দীর্ঘমেয়াদে হরমোন উৎপাদনে প্রভাব ফেলে। চিকিৎসকদের মতে, সাধারণত ২১ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে মাসিক হওয়া স্বাভাবিক। মাঝেমধ্যে কয়েকদিন হেরফের হলে উদ্বেগের কারণ নেই। তবে টানা দুই থেকে তিন মাস বড় ধরনের অনিয়ম হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


