Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাড়ির চেয়ে বেশি নিরাপদ মনে করেই বহু (Gold Gambling) মানুষ তাঁদের মূল্যবান সোনার অলঙ্কার ও সম্পদ ব্যাঙ্কের লকারে গচ্ছিত রাখেন। সেই নিরাপত্তার ভরসাতেই বড় ধাক্কা। গ্রাহকদের লকারে রাখা সোনা, অনুমতি ছাড়াই তুলে নিয়ে অনলাইন জুয়ায় ব্যবহার করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক বেসরকারি ব্যাঙ্কের ডেপুটি ম্যানেজার। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বেঙ্গালুরু জুড়ে।
অনুমতি ছাড়াই অনলাইনে জুয়া (Gold Gambling)
ব্যাঙ্ক সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত (Gold Gambling) কৌশলে এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন অভিযুক্ত। গ্রাহকদের অজান্তেই লকার থেকে অল্প অল্প করে সোনার অলঙ্কার সরিয়ে নেওয়া হত, যাতে একবারে বড় গরমিল ধরা না পড়ে। নিয়মিত অডিট এবং রেকর্ড যাচাইয়ের সময় হিসাবের গরমিল চোখে পড়ে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের। সন্দেহ ঘনীভূত হতেই অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয়।

চাঞ্চল্যকর তথ্য (Gold Gambling)
তদন্তে প্রাথমিকভাবে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর (Gold Gambling) তথ্য। অভিযোগ, প্রায় ২,৭৮০ গ্রাম সোনার অলঙ্কার, যার আনুমানিক বাজারমূল্য সাড়ে তিন কোটি টাকারও বেশি, ব্যাঙ্কের ভল্ট থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত হতেই গত ৫ ফেব্রুয়ারি ব্যাঙ্কের চিফ ম্যানেজার সরাসরি গিরিনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত ডেপুটি ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
ফিনান্স সংস্থার কাছে বন্ধক (Gold Gambling)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চুরি করা গয়নার একটি বড় অংশ (Gold Gambling) বিভিন্ন ফিনান্স সংস্থার কাছে বন্ধক রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে মোটা অঙ্কের টাকা তুলে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হয়। তদন্তে আরও জানা যায়, বাকি সোনার অলঙ্কার বিক্রি বা বন্ধক রেখে প্রাপ্ত অর্থ অনলাইন জুয়ায় খরচ করা হয়েছে। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা তদন্তকারীদের।

৭০০ গ্রাম সোনা উদ্ধার সম্ভব
ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ লোকেশ বি জগালাসার জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০০ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি সোনা উদ্ধারের চেষ্টা জোরকদমে চলছে। অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করে পুরো চক্র এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের খোঁজ চালানো হচ্ছে।
আরও পড়ুন: Petrol Diesel Price: চাপের মুখে পাকিস্তান, হুড়মুড়িয়ে বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের দাম!
ঘটনা সামনে আসতেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে গ্রাহকদের মধ্যে। অনেকেই ব্যাঙ্কে ছুটে গিয়ে নিজেদের লকার পরীক্ষা করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের একাংশ জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ সোনা উদ্ধার না হলে এবং ক্ষতিপূরণ না পেলে তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হবেন। এই ঘটনায় ব্যাঙ্কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অভ্যন্তরীণ নজরদারি ও লকার ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে এতদিন ধরে এমন চুরি চলল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে উচ্চপর্যায়ে। নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে পরিচিত ব্যাঙ্কের ভল্ট নিয়েই এখন প্রশ্নচিহ্ন।


