Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: টি-২০ বিশ্বকাপের উত্তেজনা যখন মাঠে, তখন পর্দার আড়ালে চলছিল কোটি কোটি টাকার খেলা। তবে শেষরক্ষা হলো না। কাগজের ব্যবসার আড়ালে চলা এক বিশাল ক্রিকেট জুয়া চক্রের পর্দা ফাঁস করল কলকাতা পুলিশের ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট (DD)(Cricket Betting)।
ক্রিকেট বেটিং সিন্ডিকেট (Cricket Betting)
সূর্যকুমার কটা চার মারবেন? অভিষেক শর্মা কত বল খেলবেন? নাকি হার্দিক পান্ডিয়া এক ওভারে কত রান দেবেন? মাঠের উত্তেজনার সাথে তাল মিলিয়ে মিনিট মিনিটে বদলাচ্ছিল বাজি ধরার দর। আর এই পুরো সিন্ডিকেটটি নিয়ন্ত্রিত হচ্ছিল মধ্য কলকাতার ইন্ডিয়া এক্সচেঞ্জ প্লেসের একটি অফিস থেকে।
পুলিশের জালে চক্রের মূল পান্ডা
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গত ২২ তারিখ ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ চলাকালীন হানা দেয় লালবাজারের অ্যান্টি রাউডি সেকশন (ARS)। সেখান থেকেই গ্রেফতার করা হয় প্রতীক পিঞ্চাকে। রাজস্থানের বিকানেরের বাসিন্দা প্রতীক গত চার বছর ধরে হাওড়ায় ডেরা বেঁধেছিল। নিজেকে ‘কাগজের ব্যবসায়ী’ হিসেবে পরিচয় দিলেও আসলে সে ছিল এই ডিজিটাল বেটিং সাম্রাজ্যের কিংবদন্তি। ডিজিটাল বেটিং অ্যাপ এবং একাধিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে চলত লেনদেন।
হেয়ার স্ট্রিট থানায় মামলা দায়ের (Cricket Betting)
বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে : নগদ ৪০ হাজার টাকা এবং শহরের একটি নামী হোটেলের চাবি। হেয়ার স্ট্রিট থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। আদালত অভিযুক্ত প্রতীককে আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। আপাতত তাকে জেরা করে এই সিন্ডিকেটের বাকি সদস্যদের হদিশ পাওয়ার চেষ্টা করছে ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট।
আরও পড়ুন: Howrah Murder: হাওড়ায় গুলি করে প্রোমোটার খুন, ঘটনার মুহূর্তের ছবি ধরা পড়ল সিসি ক্যামেরায়
চক্রের শিকড় অনেক গভীরে (Cricket Betting)
তদন্তকারীদের অনুমান, এই চক্রের শিকড় অনেক গভীরে। ধৃতের অফিস থেকে উদ্ধার হওয়া একটি নামী হোটেলের চাবি, সেখানেও নতুন রহস্য দানা বাঁধছে। ওই হোটেল থেকেও কি এই কারবার চলত? নাকি সেখানে লুকিয়ে রাখা আছে বড় কোনো প্রভাবশালীর নাম? খতিয়ে দেখছে পুলিশ।



