Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ফর্ম ৬ নিয়ে বিতর্কে মুখ খুললেন সিইও, সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন(EC Form 6)। একটি নির্দিষ্ট রিসিভিং সেকশন রয়েছে, যেখানে যে কোনও নথি জমা পড়লে তা গ্রহণ করা হয়। রাজ্যে ভোটের প্রাক্কালে ফর্ম ৬ জমা ও ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে ওঠা বিতর্কে মুখ খুললেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, সরকারি নিয়ম মেনেই সিইও অফিসে সমস্ত নথি গ্রহণ করা হয় এবং ফর্ম ৬ গ্রহণে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই।
‘১৮ বছর হলে ফর্ম ৬ জমা’ (EC Form 6)
সিইও জানান, “এটি একটি সরকারি দফতর। এখানে একটি নির্দিষ্ট রিসিভিং সেকশন রয়েছে, যেখানে যে কোনও নথি জমা পড়লে তা গ্রহণ করা হয়। ফর্ম ৬ জমা পড়ার বিষয়টি প্রথমে আমার জানা ছিল না, পরে খোঁজ নিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি।”তিনি আরও বলেন, বছরে চারবার নতুন ভোটার হওয়ার সুযোগ থাকে এবং ১৮ বছর পূর্ণ হলে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যায়। যদিও ভোটের সময় মনোনয়নের নির্দিষ্ট সময়সীমার আগে, সাধারণত ১০ দিন পূর্ব পর্যন্তই এই ফর্ম জমা দেওয়ার সুযোগ থাকে।
সিইও দফতরে ব্যবস্থা নেই
সফটওয়্যার সংক্রান্ত প্রশ্নে সিইও জানান, সিইও দফতরে সরাসরি নাম অন্তর্ভুক্ত করার কোনও ব্যবস্থা নেই। অভিযোগ পেলে তা জেলা নির্বাচন আধিকারিক এর কাছে পাঠানো হয় এবং তারাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন।
‘কত ফর্ম এসেছে জানা ছিল না’
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্যের পরিপেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া মনোজ আগরওয়ালের। ফর্ম ৬ সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে তিনি পরিষ্কার বলেন, এটা একটা সরকারি দফতর। যে কোনও ব্যক্তি তারা তাদের কাগজপত্র দিতে পারে। তারা এক লক্ষ নথি জমা দিতে পারে। এখানে সমস্ত আধিকারিক নিয়ম মেনে কাজ করেন। আমাদের নিচে স্টাফ আছে যাদের মাধ্যমে আমার কাছে খবর আসে। আমার জ্ঞান ছিল না যে কত ফর্ম এখনে এসেছে।
‘বছরে চারবার ফর্ম ৬ জমা হবে’ (EC Form 6)
আগে ১৮ বছর বয়স হলে ফর্ম ৬ ফিল আপ করা যেত। এখন নতুন নিয়ম অনুযায়ী বছরে চারবার জমা দিতে পারে। তাতে কোনও নিষেধ নেই। তবে নিয়ম হচ্ছে নমিনেশনের ১০ দিন আগে যে নিষ্পত্তি হবে তা বর্তমানে তালিকায় নথিভুক্ত হবে। ২৭ তারিখের আগে যে ফর্ম ৬ জমা হবে তার নিষ্পত্তি হবে। ৯ তারিখে আসলে তার নিষ্পত্তি ৩০ তারিখের আগে হবে। আমার কাছে একটাও কেস নেই যে সিইও অফিসে কোনও প্রযুক্তির মাধ্যমে নাম যোগ বা বাদ গিয়েছে। আমাদের কাছে ভুয়ো ভোটারের অভিযোগ ছিল সেটা আমরা ডিইও-র মাধ্যমে আমরা তদন্ত করতে বলি। নিয়ম অনুযায়ী সরাসরি আমার কোনও কিছু করতে পারি না।
ডিইও-র মাধ্যমে ফর্ম ৬ গ্রহণ (EC Form 6)
ডিইও-র মাধ্যমে ফর্ম ৬ গ্রহণ করা হয়। নাম যখন ডিলিট হবে ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন জানাতে হবে। আমাদের কাছে যে কোনো নথি জমা হবে আমরা পাঠাব ডি ই ও কাছে। তার পরে সে ERO কাছে পাঠাবে। ভোটের কার্ড থাকলে ফর্ম ৬ পূরণ করা যায় না। প্রত্যেকের কাছে আকনোলেজমেন্ট নম্বর রয়েছে।
আরও পড়ুন: Deepfake Censor: ডিপফেকের বাড়াবাড়ি রুখতে কড়া কেন্দ্র: আড়ালে সেন্সরশিপ? প্রশ্ন বিরোধীদের
‘আমার কিছু দেখার নেই’ (EC Form 6)
যদি কারোর নাম বাদ যায় তবে তারা ফর্ম ৬-এর আবেদন করতে পারে না। সেটা ডিইও করে। নিয়ম অনুযায়ী আমাদের কাছে যত নম্বর ফর্ম আসবে আমরা সেটা ডিইও-র কাছে পাঠাব। তাদেরকে দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য আমরা বলব। আমার কিছু দেখার নেই। যে কোনও ব্যক্তি ফর্ম ৬ জমা করতেই পারে। একজন বিএলএ যত পারে ফর্ম দিতে পারে।



