Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জন্মলগ্নে আইএমএফ-এর কাজ ছিল স্থির বিনিময় হার রক্ষা ও বিপদে পড়া দেশকে ঋণ দেওয়া। বিশ্ব অর্থনীতির বৃদ্ধির পূর্বাভাস তখন এজেন্ডায় ছিল না। এখন ঠিক সেটাই আইএমএফের সবচেয়ে পড়া পণ্য(IMF Economy)।
২০২৬ সালে বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধি কমেছে (IMF Economy)
এপ্রিল ১৪-র বিশ্ব অর্থনৈতিক পূর্বাভাস (WEO) ২০২৬ সালে বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধি ৩.৩% থেকে ৩.১%-এ নামিয়েছে। উদীয়মান অর্থনীতির ক্ষেত্রেও কাটছাঁট বেশি ৪.২% থেকে ৩.৯%। কারণ সবারই জানা, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত, হরমুজে বিঘ্ন, নতুন মার্কিন শুল্ক ও সরবরাহ শৃঙ্খলের বদল। মোট আউটপুট ধরা হয়েছে প্রায় ১১৩ ট্রিলিয়ন ডলার।
ভারত দ্রুততম বড় অর্থনীতি
কাটছাঁটের ভার প্রধানত পড়েছে মধ্যপ্রাচ্য, সাব-সাহারান আফ্রিকা, ইউরোজোন ও লাতিন আমেরিকায়। উল্টো দিকে চিনের পূর্বাভাস বেড়ে ৪.৫%, আমেরিকা প্রায় ১.৮%-এ স্থির, আর ভারত ৬.৫% নিয়ে দ্রুততম বড় অর্থনীতি। তবে এই “সাফল্য” নতুন নীতির ফল নয় বৈচিত্র্যময় জ্বালানি উৎস (সস্তা রুশ তেলসহ) ও শক্তিশালী দেশীয় চাহিদা বহিরাগত ধাক্কা শোষে।
পূর্বাভাসের নির্ভুলতা নিয়েও প্রশ্ন (IMF Economy)
আইএমএফের পূর্বাভাসের নির্ভুলতা নিয়েও প্রশ্ন আছে। ২০০৮-পরবর্তী সময়ে তারা আর্থিক কৃচ্ছ্রতার ক্ষতি কম ধরে নিয়েছিল নিজেদের গবেষণাতেই তা স্বীকার। ভারতের ক্ষেত্রে জিডিপি পূর্বাভাসে ১ শতাংশ পয়েন্ট ভুল মানে প্রায় ৪১.৫ বিলিয়ন ডলার, বা প্রায় ৩.৫ লক্ষ কোটি টাকা যা কেন্দ্রের পরিকাঠামো খরচের সমান।
আরও পড়ুন: Al Qaeda: পাকিস্তানকে আক্রমণ, আফগান সরকারের সমর্থন আল কায়েদার
সঙ্ঘাত কমলে কমবে বৃদ্ধি (IMF Economy)
সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা: WEO ধরে নিচ্ছে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত কম থাকবে। তা না হলে বিশ্বের বৃদ্ধি আরও ০.৪ পয়েন্ট কমতে পারে অর্থাৎ আরও ৪৫০ বিলিয়ন ডলার উধাও। তাই “আপেক্ষিক জয়” আসলে ছোট হতে থাকা পাইয়ের ভাগ যেখানে সবারই প্রাপ্তি কমছে।



