Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০১৬ সালের পর থেকে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে আর তার কেন্দ্রে রয়েছেন অভিনেতা থলপতি বিজয়(Vijay Win)। একসময়ের সিনেমা হলের বাইরে উচ্ছ্বসিত ভক্তদের ভিড় আজ রূপ নিয়েছে সুসংগঠিত রাজনৈতিক শক্তিতে, যা সাম্প্রতিক নির্বাচনে চমকপ্রদ সাফল্য এনে দিয়েছে।
বিজয়ের ফ্যান নেটওয়ার্ক (Vijay Win)
বছরের পর বছর ধরে বিজয়ের ফ্যান ক্লাবগুলি স্থানীয় স্তরে রক্তদান শিবির, সামাজিক কাজ এবং জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে এসেছে। তবে এবারের নির্বাচনে এই নেটওয়ার্ক আরও কৌশলগত রূপ নেয়। বিবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ফ্যান ক্লাবগুলি কার্যত তৃণমূল রাজনৈতিক ইউনিট হিসেবে কাজ করেছে ভোটারদের সংগঠিত করা, বুথ ম্যানেজমেন্ট এবং ভোটের দিন উপস্থিতি নিশ্চিত করা ছিল তাদের দায়িত্ব।
সমর্থকদের বড় অংশই তরুণ
এই সমর্থকদের বড় অংশই তরুণ প্রথমবারের ভোটার, ছাত্র, ছোট ব্যবসায়ী এবং দৈনিক মজুরির কর্মী। হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, এই নতুন প্রজন্মই নির্বাচনে বড় ভূমিকা নিয়েছে। তাদের সমর্থন আদর্শগত নয়, বরং আবেগঘন বহু বছরের সিনেমা এবং জনসংযোগের ভিত্তিতে তৈরি।
বিজয়ের প্রচার কৌশলও আলাদা
বিজয়ের প্রচার কৌশলও ছিল আলাদা। বড় জনসভা বা উচ্চস্বরে প্রচারের বদলে তিনি জোর দেন বাড়ি বাড়ি যোগাযোগ, ছোট বৈঠক এবং সরাসরি ভোটার সংযোগে। ফলে তাঁর সমর্থনের প্রকৃত পরিমাণ শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত স্পষ্ট হয়নি।
বিজয়ের জয়ের ফ্যাক্টর (Vijay Win)
সাফল্যের পিছনে কয়েকটি কারণ গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘদিনের শক্তিশালী সংগঠন, যুবসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা। ব্যক্তিগত জীবনের বিতর্ক, যেমন পারিবারিক সমস্যা বা গুঞ্জন, তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি।
আরও পড়ুন: Nabanna Celebration: নবান্নে কর্মচারীদের একাংশের মুখে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান
নয়া রাজনৈতিক সমীকরণ (Vijay Win)
তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে সিনেমা তারকাদের প্রভাব নতুন নয় এমজি রামাচন্দ্রন থেকে জয়ললিতা ইতিহাস তা প্রমাণ করে। তবে বিজয়ের উত্থান একেবারেই আধুনিক ডিজিটাল যুগের ফ্যান বেস, বিকেন্দ্রীভূত সংগঠন এবং তরুণ শক্তির মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এক নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ।



