Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: NEET ও CBSE পরীক্ষাকে ঘিরে চলা বিতর্কে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী(Dharmendra Rahul)। সামাজিক মাধ্যম X-এ করা এক পোস্টে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত আক্রমণ করে শিক্ষামন্ত্রী তাঁর দায় এড়াতে পারবেন না।
নজর ঘোরানোর চেষ্টা (Dharmendra Rahul)
রাহুলের দাবি, প্রায় ১৮.৫ লক্ষ ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, অথচ সরকার মূল সমস্যার সমাধানের বদলে বিষয়টি থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা করছে। তিনি জানতে চান, CBSE-র OSM চুক্তি কেন COEMPT নামের একটি সংস্থাকে দেওয়া হয়েছিল, যে সংস্থা আগে Globarena নামে বিতর্কে জড়িয়েছিল।
কংগ্রেস সাংসদের একাধিক প্রশ্ন
কংগ্রেস সাংসদ একাধিক প্রশ্ন তুলে বলেন, “কার নির্দেশে এই চুক্তি দেওয়া হয়েছিল? সংস্থাটির অতীত সম্পর্কে কেন যথাযথ যাচাই করা হয়নি? COEMPT-এর পরিচালন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মোদি সরকারের কোনও যোগসূত্র আছে কি?” তাঁর অভিযোগ, সরকার হয় সব জেনেশুনে এগিয়েছে, নয়তো কোনও তদন্তই করেনি দুই ক্ষেত্রেই দায় এড়ানো যায় না।
‘আগেই প্রধানকে সরাতেন’
রাহুল আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যদি সত্যিই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হতেন, তাহলে অনেক আগেই ধর্মেন্দ্র প্রধানকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দিতেন।
‘রাজনৈতিক নাটক করছেন’
এদিকে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশও শিক্ষামন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানের বদলে তিনি রাজনৈতিক নাটক করছেন। তাঁর অভিযোগ, শিক্ষামন্ত্রকের মধ্যে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির সমর্থনেই ধর্মেন্দ্র প্রধান এতটা আত্মবিশ্বাসী।
‘রাহুল গান্ধী হতাশ’ (Dharmendra Rahul)
অন্যদিকে ধর্মেন্দ্র প্রধান রাহুলের অভিযোগ খারিজ করে বলেন, CBSE কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি মেনেই কাজ করেছে। কোনও অনিয়ম প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনী পরাজয়ের কারণে রাহুল গান্ধী হতাশ এবং Digital India, EVM ও অন্যান্য প্রযুক্তিগত উদ্যোগেরও বিরোধিতা করেছেন।
আরও পড়ুন: Amit Shah Message: ‘স্বেচ্ছায় ফিরলে কোনও ব্যবস্থা নয়’, অনুপ্রবেশকারীদের বার্তা অমিত শাহর
‘দায় সরকার নেবে’ (Dharmendra Rahul)
তবে শিক্ষামন্ত্রী স্বীকার করেন, পরীক্ষার্থীদের কোনও অসুবিধা হয়ে থাকলে তার দায় সরকার নেবে। একইসঙ্গে তিনি সকলকে অনুরোধ করেন, এমন কোনও মন্তব্য বা আচরণ না করতে যাতে ছাত্রছাত্রীদের মানসিক চাপ আরও বৃদ্ধি পায়।



