Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দীর্ঘ দেড় দশক পর প্রথমবার কোনও মুখ্যমন্ত্রীর পায়ের ধুলো পড়ল কলকাতা পুরসভায় (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের বামফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য শেষবার এসএন ব্যানার্জি রোডের ঐতিহাসিক ভবনে এসেছিলেন। সম্ভবত ২০১০ সালের পর আর কোনও মুখ্যমন্ত্রী পুরসভা-মুখী হয়নি। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় ঐতিহাসিক পালাবদল ঘটে। ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলার মসনদে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে পালাবদলের পর কলকাতা পুরসভাতেও উড়েছে সবুজ আবির। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সেখানে রমরমিয়ে রাজত্ব করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

পুরসভা ভবনে যাননি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)
কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে একবারও কলকাতা পুরসভা ভবনে যাননি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে ছাব্বিশের ঝড়ে তৃণমূল ধরাশায়ী হওয়ার পর রাজ্যে ক্ষমতায় আসে বিজেপি। মসনদে বসে একমাসের মধ্যেই কলকাতা পুরসভায় এলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কথা বলেন কাউন্সিলরদের সঙ্গেও। পটপরিবর্তনের আবহে কেমন ভাবে চলবে পুরসভার কাজ। তা নিয়েও আলোচনা হয় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে।
পুরসভায় তৃণমূল রাজত্ব (Suvendu Adhikari)
২০০০ সালের পুরভোটের কথা আজও রাজনৈতিক মহলে চর্চিত। তৃণমূল প্রতিষ্ঠার পর সেটিই ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম বড় সাফল্য। সেবার বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে বামেদের চেয়ে মাত্র একটি আসন বেশি পেয়েছিল তৃণমূল। ত্রিশঙ্কু ফলের পর কংগ্রেস ও নির্দল কাউন্সিলরদের সমর্থনে প্রথমবার পুরবোর্ড গঠন করে তৃণমূল, আর কলকাতার মেয়র হন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এরপর ২০১০ সালের পুরভোটে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের আবহে বাংলায় ঐতিহাসিক জয় পায় তৃণমূল। ৯৫ ওয়ার্ডে জিতে প্রথমবার মেয়রের আসনে বসেন শোভন চট্টোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন: Rahul Arunoday: রাহুলের মৃত্যু নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
২০১৮ সালে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের পদত্যাগের পর দায়িত্ব নেন ফিরহাদ হাকিম। তবে তৃণমূলের দীর্ঘ শাসনের পরও মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পুরসভা ভবনে পা রাখেননি। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আবহে দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবারও কোনও মুখ্যমন্ত্রীর কলকাতার পুর-রাজনীতিতে সরাসরিভাবে অংশগ্রহণ এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে রইল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।



