Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বারাণসীর কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে পৌঁছানোর অভিজ্ঞতা একসময় ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। সরু গলি, ভিড়ভাট্টা বাজার ও ঘিঞ্জি বসতির মধ্য দিয়ে হেঁটে ভক্তদের পৌঁছাতে হতো হিন্দু ধর্মের অন্যতম পবিত্র এই তীর্থস্থানে। এখন সেই চিত্র বদলে দিয়েছে কাশী বিশ্বনাথ করিডর(Kashi Biswanath Corridor)।
কী এই কাশী বিশ্বনাথ করিডর? (Kashi Biswanath Corridor)
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির এবং গঙ্গার ঘাটের মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতেই এই প্রকল্প নেওয়া হয়। আগে বহু ভক্ত গঙ্গায় স্নান করে মন্দিরে জল অর্পণ করতে গেলেও সরু ও ভিড়পূর্ণ পথ পেরোতে হতো। করিডর সেই ঐতিহ্যবাহী সংযোগকে নতুন রূপে ফিরিয়ে এনেছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৯ সালের মার্চ মাসে প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে প্রথম পর্যায়ের উদ্বোধন হয়। প্রথম ধাপে ব্যয় হয় প্রায় ৩৩৯ কোটি টাকা।
কতটা বদলেছে মন্দির এলাকা?
পুনর্নির্মাণের আগে মন্দির চত্বরের আয়তন ছিল প্রায় ৩,০০০ বর্গফুট। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ লক্ষ বর্গফুটে। বিস্তৃত হাঁটার পথ, প্লাজা, দর্শনার্থী সহায়তা কেন্দ্র, জাদুঘর, খাবারের ব্যবস্থা এবং প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের জন্য সহজ প্রবেশপথ তৈরি করা হয়েছে।
মিলল বহু প্রাচীন মন্দিরের সন্ধান (Kashi Biswanath Corridor)
প্রকল্পের সময় আশপাশের ৩০০-র বেশি সম্পত্তি অধিগ্রহণ করা হয়। সেই সময়ই পরে নির্মিত ভবনের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ৪০টিরও বেশি প্রাচীন মন্দিরের সন্ধান মেলে। এগুলিকে পুনরুদ্ধার করে নতুন কমপ্লেক্সের অংশ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: POK Agitation: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে টানা বিক্ষোভ, পাকিস্তানি সেনাপ্রধানকে নিশানা JAAC নেতার
পর্যটনে নতুন গতি (Kashi Biswanath Corridor)
করিডর চালু হওয়ার পর কাশী বিশ্বনাথ ধামে দর্শনার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর সুফল পেয়েছেন হোটেল ব্যবসায়ী, দোকানদার, পুরোহিত, নৌকা চালক এবং পরিবহণ পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষরা।
সমর্থকদের মতে, এই প্রকল্প ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও আধুনিক অবকাঠামোর সফল সমন্বয়। বিতর্ক থাকলেও একটি বিষয় স্পষ্ট কাশী বিশ্বনাথ করিডর বারাণসীর পরিচিতি ও তীর্থযাত্রার অভিজ্ঞতাকে আমূল বদলে দিয়েছে।



