Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সুপর্ণা ঘোষ: ফের কালীঘাট তৃণমূলে (Chandrima Bhattacharya) ভাঙন। তৃণমূলে রাজ্য সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান। পদত্যাগের পরই বিধানসভায় গিয়ে বিদ্রোহী তৃণমূল শিবিরের সঙ্গে বৈঠকও করেন চন্দ্রিমা।
চন্দ্রিমার ইস্তফা (Chandrima Bhattacharya)
তৃণমূলের রাজ্য সভাপতির পদ ছাড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya)। চিঠি দিয়ে নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি জানিয়েছেন, গত ৩ জুন যে পদে তাঁকে বসানো হয়েছিল, তা থেকে তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন। তৃণমূলের সব পদ থেকে ইস্তফা দেন চন্দ্রিমা। রাজ্য সভাপতি-সহ তৃণমূলের সব পদ ছেড়েই বিধানসভায় যান চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বিধানসভার গেটে তাঁকে স্বাগত জানান সন্দীপন-সহ তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বিধায়করা। চন্দ্রিমাকে ‘সিনিয়র নেত্রী’ বলে উল্লেখ করেন তাঁরা। এরপর বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নব তৃণমূল অর্থাৎ বিদ্রোহী তৃণমূল শিবিরের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে বিদ্রোহী শিবিরের একাধিক বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। বিধানসভা থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, “কিছু নথি জমা দিতে তিনি বিধানসভায় এসেছিলেন।
কুণাল ঘোষের বক্তব্য (Chandrima Bhattacharya)
এবিষয়ে মমতাপন্থী তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “যদি কেউ মনে করেন তিনি বিশ্বাসঘাতক শিবিরে নাম লেখাবেন, তাহলে আমার কিছু বলার নেই। মানুষের সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন চন্দ্রিমা সব থেকে বেশি দপ্তর পেয়েছেন। তখন অভিমান হয়নি? এখন ছাড়লেন কেন?”
আরও পড়ুন: Diabetes Cure Temple: মন্দিরে গেলেই সারবে সুগার! কোথায় জানেন?
শনিবার দুপুরে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে তৃণমূলের সব পদ থেকে ইস্তফা দেন চন্দ্রিমা। জানান নিজের অভিমানের কথাও। মেট্রোপলিটনের ভবন দখল নিয়ে ‘কালীঘাট তৃণমূল’ ও ‘ঋতব্রত তৃণমূলে’র দড়ি টানাটানির মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সেই ‘অভিমানে’ চন্দ্রিমা সব পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। তৃণমূলের অ্যাকাউন্টের সিগনেটরি দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি নেন চন্দ্রিমা। দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধার এই সিদ্ধান্তে আরও নিঃসঙ্গ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটে ভরাডুবির পরেও কালীঘাটের একাধিক বৈঠকে দেখা গিয়েছে চন্দ্রিমাকে। সম্প্রতি নিউটাউনের হোটেলে তৃণমূল বিধায়ক-কাউন্সিলরের বৈঠকে চন্দ্রিমার ছেলে সৌরভকে দেখা গিয়েছিল। তা নিয়ে চাপানউতোর হয়েছে যথেষ্ট। তারপরই চন্দ্রিমার এই সিদ্ধান্ত যে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।


