Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মুম্বইয়ের আইকনিক তাজমহল প্যালেস হোটেলকে বড়সড় জরিমানা ও বকেয়া মেটানোর নোটিশ পাঠাল বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (Mumbai Taj Hotel)। কোলাবার এই ঐতিহ্যবাহী হোটেলটিকে সরকারি রাস্তা ও ফুটপাথ জুড়ে রাখা নিরাপত্তা বেষ্টনীর জন্য ২২.০৩ কোটি টাকা ‘অকুপেশন চার্জ’ বা দখলদারি ফি হিসেবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২০০৮ সালের ২৬শে নভেম্বরের ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পর, ২০০৯ সালের জুন মাসে হোটেলের সুরক্ষার্থে চারপাশের রাস্তায় ও ফুটপাথে বসানো হয়েছিল ভারী ব্যারিকেড, বোলার্ড এবং প্ল্যান্টার। সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী, এই সন্ত্রাসবিরোধী নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপের কারণে বর্তমানে প্রায় ৮০০ বর্গমিটার সরকারি রাস্তা এবং ১১০০ বর্গমিটারেরও বেশি ফুটপাথ অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে।
কেন হঠাৎ এই মোটা অঙ্কের নোটিশ? (Mumbai Taj Hotel)
ছাড় প্রত্যাহার: ২০২০ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন স্ট্যান্ডিং কমিটি জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে রাস্তার চার্জে ৫০ শতাংশ ছাড় এবং ফুটপাথের ফিতে সম্পূর্ণ ছাড় দিয়েছিল। কিন্তু, ২০২৫ সালের মে মাসে বিএমসি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর সেই ছাড়ের সিদ্ধান্ত সরকারিভাবে প্রত্যাহার করে নেন।
সমতা বজায় রাখা: বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জও (BSE) একই ধরনের নিরাপত্তা শুল্কের মুখোমুখি হয়েছিল এবং তারা সম্পূর্ণ বকেয়া মিটিয়ে দেয়। এরপরই বিএমসি কর্তৃপক্ষ সব ক্ষেত্রে অভিন্ন নিয়ম চালু করতে তাজ হোটেলকেও ছাড় বাতিল করে নোটিশ পাঠায়।
কড়া পেনাল্টি: বিএমসি-র দ্বিতীয় নোটিশে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই বকেয়া টাকা অবিলম্বে জমা না দিলে প্রতি মাসে ১৫ শতাংশ হারে ভারী সুদ বা জরিমানা চাপানো হবে(Mumbai Taj Hotel)।
আরও পড়ুন: AAP Case SC: আরজেডি বা বিজেপি নয়, আপ নেতাদের দাঙ্গার মামলা খারিজের পক্ষেই সুপ্রিম কোর্ট
আলোচনার টেবিলে তাজ কর্তৃপক্ষ (Mumbai Taj Hotel)
এই বিপুল অঙ্কের নোটিশের পর তাজ হোটেলের ম্যানেজমেন্ট বিএমসি-র শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেছে। হোটেলের প্রতিনিধিদের যুক্তি, এই ব্যারিকেডগুলি কোনো বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বসানো হয়নি। এটি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিরাপত্তা ও জনসুরক্ষার অংশ। তাই একে বাণিজ্যিক দখলদারি হিসেবে না দেখে ফি মকুবের আবেদন জানিয়েছেন তারা। এখন দেখার, বিএমসি এই আবেদনে সাড়া দেয় নাকি কড়া অবস্থান বজায় রাখে।



