Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির মেয়ে অঙ্কিতা প্রধান আজ সারা দেশের পরিচিত মুখ (Abhishek Banerjee)। জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘ইন্ডিয়ান আইডল’–এ তাঁর সুরের জাদু ইতিমধ্যেই মন জয় করেছে বিচারক মণ্ডলীর। কিন্তু এই সাফল্যের পথ মোটেই মসৃণ ছিল না। প্রতিভা, পরিশ্রম আর অধ্যবসায়ের পাশাপাশি প্রশাসনিক জটিলতার সঙ্গেও লড়তে হয়েছে তাঁকে। আর সেই সঙ্কটমুহূর্তে এগিয়ে এসেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সুরের মূর্ছনায় জাতীয় মঞ্চে উত্থান (Abhishek Banerjee)
ছোট শহরের মেয়ে অঙ্কিতা প্রধান নিজের সঙ্গীত সাধনা আর আত্মবিশ্বাসের জোরে পৌঁছে গিয়েছেন সর্বভারতীয় মঞ্চে। টেলিভিশনের জনপ্রিয় সঙ্গীত প্রতিযোগিতা ইন্ডিয়ান আইডল–এর টপ টেন-এ জায়গা করে নেওয়া নিঃসন্দেহে বিরাট সাফল্য। তাঁর গান মুগ্ধ করেছে বিচারকদের শ্রেয়া ঘোষাল, শান এবং বিশাল দাদলানি-দের মতো প্রতিষ্ঠিত শিল্পীরা তাঁর কণ্ঠস্বরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। বাংলা থেকে একমাত্র প্রতিযোগী হিসেবে টপ টেনে উঠে আসা অঙ্কিতার সাফল্য তাই সমগ্র রাজ্যের গর্ব।
দুবাই পর্বের আগে পাসপোর্ট জট (Abhishek Banerjee)
প্রথমদিকে মুম্বইয়ে শুটিং চললেও টপ টেন পর্বের শুটিংয়ের জন্য দলকে উড়ে যেতে হবে দুবাই। কিন্তু এখানেই দেখা দেয় বড় সমস্যা। অঙ্কিতা নাবালিকা হওয়ায় একা বিদেশযাত্রা সম্ভব নয়। মাকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁর পরিবারের তরফে পাসপোর্টের আবেদন করা হয়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে অঙ্কিতার মায়ের পাসপোর্ট সময়মতো হাতে আসেনি। প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথি জমা না দিতে পারলে তাঁকে বাদ পড়তে হতো। অর্থাৎ প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে স্বপ্নভঙ্গের আশঙ্কা তৈরি হয়।
রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে মুশকিল আসান (Abhishek Banerjee)
এই সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে অঙ্কিতার পরিবার যোগাযোগ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর দপ্তরে। বিষয়টি জানার পর তিনি ব্যক্তিগতভাবে হস্তক্ষেপ করেন বলে জানা যায়। দ্রুত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং শনিবার অঙ্কিতার মায়ের পাসপোর্ট এসে পৌঁছয়। ফলে দু’জনের দুবাই যাত্রা এখন নিশ্চিত। এক সম্ভাবনাময় শিল্পীর স্বপ্নভঙ্গের আশঙ্কা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে সময়োচিত পদক্ষেপে।

আরও পড়ুন: Menstrual Cycle Delay: মাসিক দেরি মানেই কি বিপদ? কী বলছেন চিকিৎসকরা?
কথায় নয়, কাজে প্রমাণ
রাজনীতির ময়দানে প্রতিশ্রুতি দেওয়া সহজ, কিন্তু বাস্তবে তা কার্যকর করা কঠিন। অঙ্কিতার ঘটনার মাধ্যমে আবারও সামনে এল জননেতার দায়বদ্ধতার প্রশ্ন। সাধারণ পরিবারের একটি সমস্যার দ্রুত সমাধান করে দেওয়া নিঃসন্দেহে ইতিবাচক বার্তা দেয়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে নীরবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নজির রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই ঘটনাও সেই ধারাবাহিকতার অংশ বলেই মনে করছেন অনেকেই।



