Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে কংগ্রেসের অনাস্থা প্রস্তাব ঘিরে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের অন্দরে দানা বেঁধেছে নতুন বিতর্ক। ১১৮ জন সাংসদ স্বাক্ষর করলেও সেখানে নাম নেই তৃণমূলের। জোটে কি তবে ফাটল?(Abhishek Speaker) অন্যদিকে, আজ সংসদেই কেন্দ্রীয় বাজেটকে ‘রবিনহুড মডেল’ বলে তীব্র আক্রমণ শানালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
কংগ্রেসের অনাস্থা প্রস্তাবে নয়া সমীকরণ (Abhishek Speaker)
লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে কংগ্রেসের অনাস্থা প্রস্তাব ঘিরে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের অন্দরে নতুন সমীকরণ। স্পিকারের পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগে লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেলের কাছে জমা পড়েছে অনাস্থা প্রস্তাব। তাতে স্বাক্ষর করেছেন ১১৮ জন সাংসদ। কিন্তু নেই কোনও তৃণমূল সাংসদের নাম। কেন এমনটা হল? নেপথ্যে কি অন্য সমীকরণ? তা হলে কি জোটে ভাঙন নাকি ধীরে চলো নীতিকে আধার করে কৌশলী হল তৃণমূল? যাতে বাড়তি ডিভিডেন্ড দিল কংগ্রেসের অতিসক্রিয়তা!
অনাস্থা প্রস্তাবে ‘ধীরে চলো’ তৃণমূলের
এই নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন অনাস্থা প্রস্তাবে কোনও আপত্তি নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, “আমাদের কোনও আপত্তি নেই, তবে আমরা চেয়েছিলাম প্রথমে চিঠি দিয়ে সময় দেওয়া হোক। কিন্তু কংগ্রেস সেই প্রস্তাব গুরুত্ব না দিয়ে তড়িঘড়ি অনাস্থা জমা দিয়েছে।”
কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে সরব অভিষেক (Abhishek Speaker)
একদিকে যখন স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব ইস্যু নিয়ে টানাপোড়েন, ঠিক তখনই সংসদের অন্দরে কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে সরব হন অভিষেক। মঙ্গলবার সংসদে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে সরব হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলাকে ব্রাত্য রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন অভিষেক। সেই নিয়ে বিজেপি তথা কেন্দ্রীয় সরকারকে তুলোধোনা করলেন লোকসভার তৃণমূল সাংসদ। কেন্দ্রীয় বাজেটকে ‘রবিনহুড মডেল’ বলেও কটাক্ষ করেন অভিষেক।
আরও পড়ুন: Bangladesh Vote: সাধারণ নির্বাচনের মুখে বাংলাদেশ: রাজনৈতিক সমীক্ষায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত
কোন পথে জোট সমীকরণ (Abhishek Speaker)
স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের কৌশলী অবস্থান এবং বঞ্চনা নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ঝাঁঝালো আক্রমণ সব মিলিয়ে মঙ্গলবার দিল্লির সংসদ ভবন ছিল অভিষেক-ময়। এখন দেখার, তৃণমূলের এই ‘ধীরে চলো’ নীতি আর বঞ্চনার সুর আগামী দিনে কে কোন পথে নিয়ে যায়।



