Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দেখতে দেখতে সময় কত দ্রুত এগিয়ে যায়! যেন সেদিনই মাতৃত্বের সুখবর দিয়েছিলেন অভিনেত্রী অহনা দত্ত ও রূপটান শিল্পী দীপঙ্কর রায়, আর আজ তাঁদের কন্যা মীরা পা রাখল ছ’মাসে (Ahona Dutta)। ২২ ফেব্রুয়ারি ঘরোয়া আয়োজনে সম্পন্ন হল ছোট্ট মীরার অন্নপ্রাশন। এই বিশেষ দিনটি শুধুই একটি সামাজিক রীতি নয়, বরং নতুন জীবনের আর এক অধ্যায়ের সূচনা।
ছয় মাসের মাইলফলক (Ahona Dutta)
বাংলা সংস্কৃতিতে অন্নপ্রাশন শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়; এটি শিশুর জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। মায়ের দুধের বাইরে প্রথমবারের মতো অন্নগ্রহণ এই প্রতীকী মুহূর্তেই শিশুকে পরিবারের সকলের আশীর্বাদে বড় হয়ে ওঠার পথ দেখানো হয়। মীরার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ছ’মাস পূর্ণ হওয়ার এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বাবা-মা কোনওরকম খামতি রাখেননি।
ঘরোয়া কিন্তু হৃদয়ছোঁয়া আয়োজন (Ahona Dutta)
২২ ফেব্রুয়ারি, রবিবার। বাড়ির পরিবেশ ছিল একান্ত পারিবারিক ও শান্ত। আত্মীয়-স্বজনদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয় মীরার অন্নপ্রাশন। অহনা সোশাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাগ করে নিয়েছেন সেখানে দেখা যায় প্রস্তুতির ব্যস্ততা, গায়ে হলুদের মুহূর্ত, আর শেষে প্রথম ভাত খাওয়ানোর দৃশ্য। ছোটপর্দার ‘মিশকা’ নামে পরিচিত এই অভিনেত্রীর জীবনে এটি ‘পেরেন্টহুড’-এর প্রথম বড় অনুষ্ঠান। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দিনটি ছিল আবেগে ভরপুর।
কার হাতেই প্রথম ভাত? (Ahona Dutta)
অন্নপ্রাশনের মূল আকর্ষণ শিশুর মুখে প্রথম ভাত তুলে দেওয়া। এদিন সেই দায়িত্ব নেন বাবা দীপঙ্কর রায় নিজেই। কোলে মেয়েকে নিয়ে বসে আদরে, ভালোবাসায় মুখে প্রথম প্রসাদ তুলে দেন তিনি। মায়ের কোলে মেয়ে, পাশে বাবা এই ছবিই যেন এক পূর্ণতার প্রতীক।
রঙের সামঞ্জস্যে পারিবারিক ঐক্য (Ahona Dutta)
এদিন হলুদ ও অফ-হোয়াইট রঙের পোশাকে সেজেছিলেন অহনা, দীপঙ্কর ও ছোট্ট মীরা। রঙের এই মেলবন্ধন যেন পরিবারের ঐক্য ও আনন্দের প্রতিচ্ছবি। সাজ ছিল সাদামাটা কিন্তু মার্জিত আড়ম্বরের চেয়ে আবেগই ছিল বেশি উজ্জ্বল।

আরও পড়ুন: Suniti Kum ar Chatterjee: মহাগ্রন্থের শতবর্ষ! ‘ও-ডি-বি-এল’এই বই বাঙালির আত্মপরিচয়ের শিকড়
ব্যক্তিগত জীবনের ছায়া
সব আনন্দের মাঝেও একটি অনুপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো অহনার মা চাঁদনি গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতি। জানা যায়, মায়ের অপছন্দে বিয়ে করার কারণেই তাঁদের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। তবে অতীতের মনখারাপকে পাশ কাটিয়ে অহনা বরাবরই নিজের ভালোবাসার মানুষদের নিয়ে এগিয়ে যেতে চেয়েছেন। এদিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। জীবনের সুখের মুহূর্তগুলোকে আঁকড়ে ধরেই তিনি সামনে এগোচ্ছেন।



