Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাঙালির চিরকালীন বৈশিষ্ট্য হল-নতুন কিছু (AI Image) দেখলে তাতে গা ভাসানো। আর এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ভাইরাল হয়েছে এক নতুন ট্রেন্ড-‘ন্যানো ব্যানানা’। তবে এটা কোনও ফল নয়, বরং একটি মজাদার প্রম্পট যা ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) সাহায্যে তৈরি করা হচ্ছে বিচিত্র সব ছবি। এই ছবি তৈরির মূল প্ল্যাটফর্ম গুগল জেমিনাই বা চ্যাটজিপিটির মতো AI ইমেজ জেনারেটর। এখানে আপনি শুধু একটি লেখা বা ‘প্রম্পট’ দিয়ে বলে দিতে পারেন, আপনি ঠিক কী ধরনের ছবি চান। আর বাকিটা সামলাবে AI।
কীভাবে কাজ করে এই ইমেজ জেনারেশন? (AI Image)
প্রক্রিয়াটি বেশ সহজ (AI Image)। আপনি একটি নির্দিষ্ট বর্ণনা লিখে AI-কে নির্দেশ দেন-যেমন, “একজন মহিলা ডেস্কে বসে ল্যাপটপে কাজ করছেন, জানলা দিয়ে রোদ আসছে, রিয়ালিস্টিক ফটোগ্রাফি স্টাইল।” AI সেই অনুযায়ী একটি নতুন ও নিখুঁত ছবি তৈরি করে দেয়, যেন বাস্তবেই তোলা হয়েছে। কিন্তু মজার বিষয় হল-এই প্রম্পট বা নির্দেশনার শব্দ চয়নেই রয়েছে আসল কৌশল। আপনি কীভাবে কথা বলছেন, কোন শব্দগুলি বেছে নিচ্ছেন, তার উপর নির্ভর করছে চূড়ান্ত ছবির গুণমান, রঙ, স্টাইল-সবই।
রেট্রো বা ভিন্টেজ ছবি চাইলে কী করবেন? (AI Image)
অনেকেই বর্তমানে রেট্রো লুকের ছবি তৈরি (AI Image) করছেন। যেমন, আপনি চাইলে ৮০’র দশকের মতো পুরনো সিনেমার পোস্টারের ঢংয়ে ছবিও তৈরি করতে পারেন। তার জন্য আপনাকে প্রম্পটে লিখতে হবে-‘retro’, ‘vintage’, ‘sepia tones’, ‘grainy film’ ইত্যাদি শব্দ। যেমন, “একজন মহিলা ডেস্কে ল্যাপটপ নিয়ে বসে আছেন, ১৯৮০’র রেট্রো স্টাইলে, সেপিয়া টোনে, পুরনো ফিল্মের মতো ফিনিশ।” ব্যাস! মুহূর্তে তৈরি হবে একদম আলাদা ধাঁচের ছবি।

আরও পড়ুন: 8th Pay Commission: দিওয়ালির বোনাস ডিএ ঢুকবে কবে?
ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় নজর দিন
যদিও AI ইমেজ তৈরি মজার একটি দিক, তবে এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে গোপনীয়তা ও তথ্য সুরক্ষার বিষয়ও। বিশেষ করে যখন নিজের বা পরিচিতদের ছবি দিয়ে কিছু তৈরি করছেন, তখন খেয়াল রাখা দরকার আপনি কোথায় ও কীভাবে সেই ছবি ব্যবহার করছেন। নিজের পরিচয় বা সংবেদনশীল তথ্য যেন কখনও শেয়ার না হয়, তা নিশ্চিত করা জরুরি।


