Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দৈনন্দিন জীবনে যানজট এখন শুধু (Air Taxi) বিরক্তির কারণ নয়, অনেক সময় তা প্রাণঘাতীও হয়ে উঠছে। অ্যাম্বুল্যান্স আটকে থাকা, জরুরি চিকিৎসা দেরিতে পৌঁছনো-এ সবই বড় শহরের চেনা ছবি। রাস্তার উপর চাপ কমানো কার্যত অসম্ভব হলেও, যদি যাতায়াতের নতুন পথ খুলে যায় আকাশে? সেই ভাবনাকেই বাস্তব রূপ দিতে চলেছে ভারত। খুব শিগগিরই দেশে শুরু হতে পারে এয়ার ট্যাক্সি পরিষেবা।
পাইলট করিডরের প্রস্তাব (Air Taxi)
সম্প্রতি কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়া ইন্ডাস্ট্রিজ একটি (Air Taxi) গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট জমা দিয়েছে, যেখানে এয়ার ট্যাক্সির জন্য একটি পাইলট করিডরের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গুরুগ্রাম থেকে দিল্লির কনট প্লেস হয়ে নয়ডার জেওয়ার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত আকাশপথে এই পরিষেবা চালু হতে পারে। বর্তমানে যে পথ পেরোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লেগে যায়, এয়ার ট্যাক্সি চালু হলে তা কয়েক মিনিটেই সম্ভব হবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, দিল্লি থেকে গুরুগ্রাম যেতে সময় লাগতে পারে মাত্র ৭ মিনিট। যাত্রীপিছু ভাড়া আনুমানিক ২ থেকে ৩ হাজার টাকা হতে পারে। যেখানে সড়কপথে ৩৫-৪০ কিলোমিটার যাত্রায় কমপক্ষে ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা সময় লাগে, ব্যস্ত সময়ে যা দু’ঘণ্টাও ছাড়িয়ে যায়।

আলাদা হেলিপ্যাড তৈরির প্রয়োজন নেই (Air Taxi)
সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, প্রাথমিক পর্যায়ে আলাদা হেলিপ্যাড (Air Taxi) তৈরির প্রয়োজন নেই। হাসপাতাল, বাণিজ্যিক ভবন বা অফিস কমপ্লেক্সের ছাদ থেকেই এয়ার ট্যাক্সি ওঠানামা করতে পারবে বলে প্রস্তাব। এর ফলে খরচ যেমন কমবে, তেমনই জমি অধিগ্রহণের জটিলতাও এড়ানো যাবে। বিশেষ করে অঙ্গ প্রতিস্থাপন, জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা ও এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা যুগান্তকারী হতে পারে।

আরও পড়ুন: Kolkata Metro: মেট্রো লাইনে হঠাৎ ঝাঁপ, বন্ধ মেট্রো পরিষেবা!
ডিজিসিএ-র তত্ত্বাবধানে ধাপে ধাপে এই পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথমে ড্রোন ডেলিভারি, পরে মেডিক্যাল সামগ্রী পরিবহণ এবং ভবিষ্যতে অর্গান ট্রান্সপোর্ট ও এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবার কথা ভাবা হচ্ছে। দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু মতো জনবহুল শহরে এয়ার ট্যাক্সি শহুরে যাতায়াতের চেহারাই বদলে দিতে পারে। আকাশপথে এই নতুন যাত্রা ভারতের পরিবহণ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে।


