Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পর দেশজুড়ে শোক ও ক্ষোভের আবহ তৈরি হয়েছে। তেহরান ইতোমধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি থাকা দেশগুলোর ওপর নতুন করে হামলা শুরু করেছে। যুদ্ধ তৃতীয় দিনে গড়াতেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে(Arafi Iran)।
আলোচনায় আলিরেজা আরাফির নাম (Arafi Iran)
খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ইরানে তৈরি হয়েছে নেতৃত্বের শূন্যতা। নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত একটি অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব পরিষদ গঠন করা হয়েছে। এই পরিষদে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, গার্ডিয়ান কাউন্সিলের সদস্য আয়াতোল্লাহ আলিরেজা আরাফি এবং বিচার বিভাগের প্রধান আয়াতোল্লাহ গোলামহোসেন মোহসেনি-এজেই। সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছে আলিরেজা আরাফির নাম।
খামেনেইয়ের আস্থাভাজন
১৯৫৯ সালে ইয়াজ্দ প্রদেশের মেইবদ শহরে এক ধর্মীয় পরিবারে জন্ম আরাফির। ১১ বছর বয়সে ক্বম শহরে ধর্মীয় পড়াশোনা শুরু করেন। ১৬ বছর বয়সে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির বিরোধিতা করায় তিনি কারাবরণ করেন বলে তাঁর ওয়েবসাইটে উল্লেখ আছে। ১৯৯২ সালে মাত্র ৩৩ বছর বয়সে তিনি মেইবদের জুমার ইমাম নিযুক্ত হন, যা খামেনেইয়ের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হয়।
গার্ডিয়ান কাউন্সিলে আরাফি (Arafi Iran)
আরাফি ইরানের ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালক ছিলেন এবং ২০০৯-২০১৮ পর্যন্ত আল-মুস্তাফা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালে খামেনেই তাঁকে প্রভাবশালী গার্ডিয়ান কাউন্সিলে নিয়োগ দেন। বর্তমানে তিনি অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের দ্বিতীয় সহসভাপতি, যে সংস্থা নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করে।
আরও পড়ুন: Asansol SIR: নথি পাঠিয়েও বিচারাধীন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নেই আসানসোলের পুরনিগমের ডেপুটি মেয়র
নিহত আরাফি! (Arafi Iran)
তবে সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে দাবি উঠেছে, ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আরাফিও নিহত হয়েছেন। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ মেলেনি।



