Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: এশিয়া জুড়ে বিমান পরিষেবায় বড়সড় বিঘ্নে ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী(Asia Flight)। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ভারত, থাইল্যান্ড, জাপান-সহ একাধিক দেশের প্রধান বিমানবন্দরে ৬০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং হাজারের বেশি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে। ফলে বিমানবন্দরগুলোতে দীর্ঘ লাইন ও অতিরিক্ত ভিড়ের ছবি সামনে এসেছে।
পরপর উড়ান স্থগিত (Asia Flight)
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এশিয়ার ১৩টি বড় বিমানবন্দরে মোট ৬৭টি ফ্লাইট বাতিল এবং ১,৪৭০টি ফ্লাইট দেরিতে চলেছে। ১২ এপ্রিলের তথ্য বলছে, এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মোট ৪৪৫টি ফ্লাইট বাতিল এবং ৩,৮০০-র বেশি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে বাতিক এয়ার, এমিরেটস, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স, থাই এয়ারওয়েজ ও লায়ন এয়ারের ওপর। টোকিওতে ভিড়ের কারণে অল নিপ্পন এয়ারওয়েজ ৭৫টি ফ্লাইট স্থগিত করেছে।
সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দিল্লি মুম্বই
ভারতে ইন্ডিগো, এয়ার ইন্ডিয়া ও স্পাইসজেটের ফ্লাইটে বেশি দেরি হয়েছে। দিল্লি ও মুম্বই বিমানবন্দর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। মুম্বইয়ে ১০৮টি ফ্লাইট দেরি এবং ৫টি বাতিল হয়েছে, আর দিল্লিতে ১৭৬টি দেরি ও ৫টি বাতিল হয়েছে।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা
যাত্রীদের ওপর এর প্রভাব মারাত্মক। অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে বাধ্য হন, কেউ কেউ রাতভর বিমানবন্দরে আটকে পড়েন। রুট পরিবর্তন ও সংযোগ ফ্লাইট মিস হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি (Asia Flight)
এই বিশৃঙ্খলার মূল কারণ উচ্চ বিমান চলাচল, অপারেশনাল সমস্যা এবং পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় জ্বালানির খরচ বেড়েছে এবং বহু দেশের আকাশসীমায় বিধিনিষেধ জারি হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘ দূরত্বের ফ্লাইটগুলোকে ঘুরপথে যেতে হচ্ছে বা বাতিল করতে হচ্ছে।
আরও পড়ুন: US Iran: ইরান মার্কিন সঙ্ঘাতে নয়া মোড়: মার্কিন চোকপয়েন্ট নিয়ন্ত্রণে জটিল পরিস্থিতি
যাত্রীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ (Asia Flight)
এ পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে ফ্লাইটের আপডেট চেক করা, সময়ের আগে পৌঁছানো, প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখা এবং এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা জরুরি।



