Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: হুগলির রাজনৈতিক অন্দরে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ যেন এক নাটকীয় মোড় নিয়েছে (Asit Majumdar)। মতভেদ, অভিযোগ, চ্যালেঞ্জ সবকিছুর পর শেষ পর্যন্ত ঐক্যের বার্তা সামনে এল। অসিত মজুমদার, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দেবাংশু ভট্টাচার্যকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন অনেকটাই অতীত এমনই ইঙ্গিত মিলছে সাম্প্রতিক ঘটনাবলিতে।

প্রকাশ্য সংঘাত থেকে রাজনৈতিক চড়াও (Asit Majumdar)
গত ২৯ মার্চ এক সাংবাদিক বৈঠকে অসিত মজুমদার সরাসরি আক্রমণ শানিয়েছিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। তিনি অভিযোগ করেন, রচনার উপস্থিতি প্রচারে থাকলে দেবাংশুর পরাজয় অনিবার্য। এখানেই থেমে থাকেননি ‘কাটমানি’ ইস্যুতে সরব হয়ে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। তার কথায় ছিল রাজনৈতিক ক্ষোভ ও ব্যক্তিগত অভিমান রচনার বিরুদ্ধে দলীয় টিকিট না পাওয়ার জন্যও তিনি দায়ী করেন এবং বলেন, “দিদির কানে কথা ঢুকিয়ে আমাকে প্রার্থী হতে দেননি।”
হালকা হাসিতে উড়িয়ে দেওয়া (Asit Majumdar)
এই সমস্ত অভিযোগকে একেবারেই গুরুত্ব দিতে নারাজ ছিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পুরো বিষয়টিকে হালকাভাবে উড়িয়ে দেন। কোনও সরাসরি পাল্টা আক্রমণ না করে, তার প্রতিক্রিয়া ছিল সংযত যা রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপ (Asit Majumdar)
দলের ভেতরের এই অস্থিরতা মেটাতে এগিয়ে আসেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মধ্যস্থতায় বসে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, যেখানে উপস্থিত ছিলেন অসিত মজুমদার, দেবাংশু ভট্টাচার্য, যুব নেত্রী প্রিয়াঙ্কা অধিকারী ও মহিলা সভানেত্রী মৌসুমি বসু চট্টোপাধ্যায়। এই বৈঠকেই বরফ গলতে শুরু করে। দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব অনেকটাই প্রশমিত হয় বলে জানা যায়।
কোদালিয়া থেকে ঐক্যের বার্তা (Asit Majumdar)
সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ কোদালিয়া ১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একসঙ্গে প্রচারে নামেন অসিত মজুমদার ও দেবাংশু ভট্টাচার্য। তৃণমূল কর্মীরা ফুল ছড়িয়ে ও মালা পরিয়ে তাদের স্বাগত জানান যা ছিল ঐক্যের স্পষ্ট প্রতীক। এই মঞ্চ থেকেই অসিত বলেন, “রচনার সঙ্গে দ্বন্দ্ব এখন অতীত। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য দেবাংশুকে জিতিয়ে আনা।”
আরও পড়ুন: Leander Paes Joins BJP: ভোটের আগেই ফুল বদল, ঘাস ফুল ছেড়ে পদ্মে যোগ লিয়েন্ডারের!

দলের স্বার্থই শেষ কথা
এই ঘটনাপ্রবাহ থেকে স্পষ্ট, ব্যক্তিগত অভিমান বা মতভেদ থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলীয় স্বার্থই প্রাধান্য পাচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরে মতবিরোধ নতুন নয়, তবে সময়মতো তা মিটিয়ে ফেলার রাজনৈতিক দক্ষতাই এখানে মূল চাবিকাঠি।



