Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা অটল পেনশন যোজনা (APY)-র মেয়াদ ২০৩০-৩১ অর্থবর্ষের শেষ পর্যন্ত বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে(Atal Pension Yojona)। পাশাপাশি, এই প্রকল্পের প্রচার, উন্নয়ন এবং ঘাটতি পূরণ (গ্যাপ ফান্ডিং) সংক্রান্ত সরকারি আর্থিক সহায়তাও অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মেয়াদ বাড়ছে অটল পেনশন যোজনার (Atal Pension Yojona)
সরকারের এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হল অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের মধ্যে পেনশন প্রকল্পের আওতা আরও বাড়ানো এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রকল্পের আর্থিক স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা। অটল পেনশন যোজনা বার্ধক্যে নিশ্চিত মাসিক আয় দেওয়ার মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষের সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করছে।
সচেতনতা বৃদ্ধির প্রচারাভিযান
মন্ত্রিসভার অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, সরকার ভবিষ্যতেও সচেতনতা বৃদ্ধির প্রচারাভিযান, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচি এবং অন্যান্য উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে অর্থ বরাদ্দ করবে। বিশেষ করে কম আয়ের ও অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্রের কর্মীদের কাছে এই প্রকল্প পৌঁছে দেওয়াই এর মূল উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে, প্রকল্পের আর্থিক সক্ষমতা বজায় রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় গ্যাপ ফান্ডিংও দেবে।
আরও শক্তিশালী হবে বার্ধক্যকালীন আয় সুরক্ষা
সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগের ফলে লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের বার্ধক্যকালীন আয় সুরক্ষা আরও শক্তিশালী হবে, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি গভীর হবে এবং ‘বিকশিত ভারত @২০৪৭’-এর লক্ষ্য অনুযায়ী একটি পেনশনভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার পথে দেশ এগোবে।
সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা (Atal Pension Yojona)
২০১৫ সালের ৯ মে অটল পেনশন যোজনা চালু করা হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়। ৬০ বছর বয়সের পর গ্রাহকের অবদানের ওপর ভিত্তি করে মাসে ১,০০০ টাকা থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত পেনশন পাওয়া যায়।
প্রকল্পে ৮.৬৬ কোটিরও বেশি মানুষ (Atal Pension Yojona)
২০২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত এই প্রকল্পে ৮.৬৬ কোটিরও বেশি মানুষ নাম নথিভুক্ত করেছেন। ফলে অটল পেনশন যোজনা বর্তমানে দেশের বৃহত্তম পেনশন প্রকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম এবং ভারতের অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দুর্বল ও প্রান্তিক মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই লক্ষ্য (Atal Pension Yojona)
সরকারের মতে, ধারাবাহিক আর্থিক সহায়তা ছাড়া এই প্রকল্পের সচেতনতা, প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং তহবিল ঘাটতি পূরণ সম্ভব নয়। তাই ভবিষ্যতেও এই সহায়তা বজায় রেখে সমাজের দুর্বল ও প্রান্তিক অংশের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।



