Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ (Bangladesh Vote)। ফল ঘোষণাও সম্পন্ন। কিন্তু এখনও সরকার গঠন করেনি বিএনপি। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষিত তারেক রহমানের শপথ গ্রহণও হয়নি। তার মধ্যেই রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ বাড়িয়ে কড়া আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করল জামায়াতে ইসলামির নেতৃত্বাধীন ১১ দলের জোট। জোটের অভিযোগ, সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে একাধিক কেন্দ্রে অনিয়ম, কারচুপি এবং ফলাফলে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হয়েছে। তাদের দাবি, অন্তত ৩০টি আসনে ভোট গণনায় গুরুতর অসংগতি রয়েছে। সেই কারণেই তারা ওই আসনগুলিতে পুনর্গণনার দাবি তুলেছে।
নির্বাচন কমিশনে গিয়ে ধর্না (Bangladesh Vote)
এই দাবিকে সামনে রেখে জোট নেতৃত্ব নির্বাচন কমিশনে গিয়ে (Bangladesh Vote) ধর্না দেয়। কমিশনের কাছে লিখিত আকারে পুনর্গণনার আবেদনও জানানো হয়। তবে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট, আদালতের নির্দেশ ছাড়া তারা পুনর্গণনার পথে হাঁটবে না। কমিশনের বক্তব্য, নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনেই অভিযোগ জানাতে হবে এবং আদালতের নির্দেশ এলেই তবেই পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব। অর্থাৎ কার্যত জোটকে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শই দিয়েছে কমিশন। রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ১১ দলের জোট নেতারা ঘোষণা করেন, তাঁরা দ্রুত আদালতে মামলা করবেন।

পুনর্গণনার দাবিতে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি জনমত গড়ে তুলতে রাজপথেও নামবেন। তাদের বক্তব্য, “নির্বাচনের স্বচ্ছতা রক্ষা এবং ভোটারের অধিকার সুরক্ষিত রাখতেই এই আন্দোলন।”এই ঘোষণার পরেই সোমবার ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: Gold Gambling: সাড়ে ৩ কোটির গয়নায় জুয়ার আসর! বেঙ্গালুরুতে গ্রাহকদের গচ্ছিত সোনা উধাও
রাজনৈতিক অবস্থান শক্ত করতে জোট (Bangladesh Vote)
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকার গঠনের আগেই চাপ বাড়িয়ে রাজনৈতিক অবস্থান শক্ত করতে চাইছে জোট। একই সঙ্গে আদালতে মামলা করে আইনি লড়াই এবং রাস্তায় আন্দোলন, এই দ্বিমুখী কৌশল ভবিষ্যতের রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। এদিনই সন্ধ্যায় রাজনৈতিক মহলে নতুন চর্চা শুরু হয়। বিএনপি চেয়ারম্যান ও ভাবী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষিত তারেক রহমান ঢাকায় যান জামায়াতে ইসলামির আমির শফিকুর রহমান এবং এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে।

রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে
তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির। এই সাক্ষাতের পর ফেসবুকে শফিকুর রহমান লেখেন, “বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানাচ্ছি।”এই বার্তাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। একদিকে পুনর্গণনার দাবি ও আন্দোলনের ঘোষণা, অন্যদিকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীকে আগাম অভিনন্দন, এই দুই বিপরীতমুখী চিত্রে তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত।


