Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের আগে ভ্যাবলা স্টেশনে বৃহস্পতিবার সকালেই ঘটে যায় এক উদ্বেগজনক ঘটনা (Basirhat Bhaybla)। একটি ম্যাটাডর গাড়ি আচমকা রেলগেটে সজোরে ধাক্কা মারলে গেটটি ভেঙে রাস্তার উপর পড়ে যায়। হঠাৎ এই দুর্ঘটনার জেরে শিয়ালদহ–হাসনাবাদ শাখার ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ট্রেন পরিষেবায় বিঘ্ন ঘটে।

ট্রেন চলাচলে প্রভাব (Basirhat Bhaybla)
রেলগেট ভেঙে পড়ার পরপরই নিরাপত্তার স্বার্থে ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে থামিয়ে দেওয়া হয়। বিশেষ করে হাসনাবাদ থেকে শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনগুলি সমস্যায় পড়ে। একাধিক ট্রেন মাঝপথে দাঁড়িয়ে যায় বা ধীরগতিতে চলতে বাধ্য হয়। যাত্রীদের অভিযোগ, শুধুমাত্র ওই সময়টুকু নয় পরবর্তীতেও হাসনাবাদ–বারাসত লাইনের বিভিন্ন স্টেশনে আপ ও ডাউন উভয় লাইনে ট্রেনের গতি কমিয়ে চালানো হয়। ফলে স্বাভাবিক সময়সূচি মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়।
উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের উদ্বেগ (Basirhat Bhaybla)
এই ঘটনার সময় বহু উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ট্রেনে করে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ ট্রেন থেমে যাওয়া ও বিলম্বের কারণে তাঁদের মধ্যে উৎকণ্ঠা তৈরি হয়। সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছতে পারবেন কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন অনেকেই। অভিভাবকরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। যদিও পরে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় বড় কোনও বিপর্যয় এড়ানো যায়।
রেলের তৎপরতা ও মেরামতির কাজ (Basirhat Bhaybla)
খবর পাওয়া মাত্র রেলের ইঞ্জিনিয়ার ও কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। ক্ষতিগ্রস্ত রেলগেট সরিয়ে মেরামতির কাজ শুরু হয়। অস্থায়ী ব্যবস্থার মাধ্যমে ট্রেন চলাচল পুনরায় চালু করা হয়। রেল কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সম্পূর্ণ মেরামতির কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলাচলে কিছুটা সমস্যা বজায় থাকে।
আরও পড়ুন: BD Vote: বাংলাদেশ ভোট: বন্ধ চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট
নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রশ্ন
এই ঘটনা ফের একবার রেলগেট নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় সতর্কতা অবলম্বন ও যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ কতটা কার্যকর তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, গেট বন্ধ থাকা অবস্থায় অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো কিংবা অসতর্কতা থেকেই এমন দুর্ঘটনা ঘটে। রেল ও প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।



