Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ক্যানসার আজও এক ভয়াবহ নাম (Cancer Preventive Food)। চিকিৎসা বিজ্ঞানে অগ্রগতি সত্ত্বেও এই রোগ থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠার নিশ্চয়তা এখনও অধরা। তাই প্রতিরোধই হচ্ছে সবচেয়ে বড় অস্ত্র। রোগের পিছনে নির্দিষ্ট কোনও কারণ না থাকলেও, বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু অভ্যাস এবং খাদ্যরীতি ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়াতে পারে, আবার কিছু খাবার সেই ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
ক্যানসার রোধে প্রাকৃতিক খাবার (Cancer Preventive Food)
চিকিৎসক সারমিন ইয়াকিনের মতে, আমাদের খাদ্যতালিকায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ (Cancer Preventive Food) পরিবর্তন আনলেই এই মারণ রোগ থেকে অনেকাংশে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। তিনি একটি ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, ক্যানসার রোধে প্রাকৃতিক খাবার, বিশেষ করে ফল ও সবজি অত্যন্ত কার্যকর। এই ধরনের খাবারে থাকে ফাইটোকেমিক্যাল নামক এক বিশেষ উপাদান, যা শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং কোষের ক্ষয় রোধে সহায়তা করে।
প্রাকৃতিক শর্করা বেশি (Cancer Preventive Food)
তবে ফলের থেকে সবজি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি, কারণ ফলে প্রাকৃতিক শর্করা বেশি থাকে। বিশেষ করে বেশি মিষ্টি ফলগুলি কম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বরং রঙিন সবজি ও শাকপাতায় থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান শরীরকে ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।
রেড মিট বা প্রক্রিয়াজাত মাংস
একই সঙ্গে বেশ কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলো আমাদের প্রতিদিনের প্লেট থেকে বাদ দেওয়া জরুরি। রেড মিট বা প্রক্রিয়াজাত মাংস (যেমন সসেজ, সালামি, বেকন) খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তার পরিবর্তে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। ডাল, মাশরুম, টোফু বা বিভিন্ন বিন জাতীয় খাদ্য এ ক্ষেত্রে ভালো বিকল্প।
প্রক্রিয়াজাত ময়দা
তেমনই, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত ময়দা জাতীয় খাদ্য যেমন সাদা পাউরুটি, নুডলস বা পাস্তার পরিবর্তে খেতে পারেন ডালিয়া, ওটস, লাল আটা বা ব্রাউন রাইস। ফাস্ট ফুডের বিকল্প হিসেবে বাদাম, বীজ বা তাজা ফল রাখুন টিফিনে। প্যাকেটজাত চিপস বা ভাজাভুজি যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।
পানীয়ের ক্ষেত্রেও সচেতনতা জরুরি। সোডা, কোলা বা মিষ্টি পানীয় বাদ দিয়ে গ্রিন টি, ডাবের জল বা লেবু জল খাওয়াই শ্রেয়।


