Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চম্পাহাটির হাড়ালে এক বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই ঘটনায় গুরুতর আহত কমপক্ষে চার জন(Champahati)। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রাই। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কম্পনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ঘটনাস্থলের পাশে থাকা এক টি গাছ সম্পূর্ণ ঝলসে যায়। ওই বাজি কারখানার চাল উড়ে যায়। ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাড়িটি। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বারুইপুর থানার পুলিশ এবং দমকল বাহিনী। বিস্ফোরণের ফলে আগুন নেভানো হয়। এলাকাটিকে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে।
মশলার ত্রুটির কারণেই বিস্ফোরণ (Champahati)
বাজি কারখানায় মশলার ত্রুটির কারণেই বিস্ফোরণ ঘটে বলে জানা গিয়েছে। কে বা কারা এর নেপথ্যে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, একের পর এক, অন্তত দু’থেকে তিন বার বিকট শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আতঙ্কে ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
চার জন শ্রমিক গুরুতরভাবে অগ্নিদগ্ধ (Champahati)
চোখের সামনে ধসে পড়ে বাজি কারখানার একটি অংশ। অ্যাসবেস্টসের ছাউনি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে পাশের আরও তিনটি বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কারখানার ভিতরে কাজ চলাকালীন বিস্ফোরণের ফলে চার জন শ্রমিক গুরুতরভাবে দগ্ধ হন। প্রথমে তাঁদের বারুইপুরে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
কারখানার লাইসেন্স নিয়ে তদন্ত (Champahati)
কারখানার মালিক বিধান মণ্ডল বলে জানা গিয়েছে। তবে কারখানাটি বৈধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্তে নেমেছে বারুইপুর জেলা পুলিশ। বিস্ফোরণস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
ফের এক বিস্ফোরণ, দায় কার? (Champahati)
২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে চম্পাহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের হাড়াল গ্রামের সর্দারপাড়ায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল একটি বেআইনি বাজি কারখানায়। সেই ঘটনাতেও অগ্নিদগ্ধ হয়েছিল তিন জন। সেই ঘটনার পরেও কী পর্যাপ্ত নজরদারি ছিল? উঠছে প্রশ্ন।



