Last Updated on [modified_date_only] by
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাংলাদেশের পতাকার অবমাননা এবং রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় (Chinmoy Krishna Das) গত বছরের শেষ দিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল চিন্ময়কৃষ্ণকে। গত ৩০ এপ্রিল রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের জামিন মঞ্জুর করেছিল হাই কোর্ট। এখনও তাঁর জেলমুক্তি হয়নি। মামলায় দীর্ঘ পাঁচ মাস জেলে থাকার পর অবশেষে হাই কোর্ট তাঁর জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছে। তার মাঝেই চিন্ময়কৃষ্ণকে ফের গ্রেফতার করা হচ্ছে অন্য একটি মামলায়। চট্টগ্রাম আদালত তাঁকে ‘শোন অ্যারেস্টের’ (গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে আবার গ্রেফতার) নির্দেশ দিয়েছে। উচ্চতর আদালতে জামিন স্থগিতের আর্জি জানানো হয়েছে।
শুনানিতে ‘শোন অ্যারেস্ট’-এর নির্দেশ (Chinmoy Krishna Das)
রাষ্ট্রদোহের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল চিন্ময়কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে (Chinmoy Krishna Das)। গত বছরের নভেম্বরে তাঁর জামিন মামলাকে কেন্দ্র করে অশান্ত হয়ে উঠেছিল চট্টগ্রাম আদালত চত্বর। হিংসায় প্রাণ হারান আইনজীবী সাইফুল ইসলাম। কুপিয়ে ও পিটিয়ে তাঁকে হত্যার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনাতেই এবার চিন্ময়কৃষ্ণকে গ্রেপ্তারির নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, আইনজীবী হত্যা মামলায় চিন্ময়কৃষ্ণকে গ্রেপ্তার করতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। সেই আবেদন সোমবার গ্রাহ্য করেন চট্টগ্রাম আদালতের বিচারক এস এম আলাউদ্দিন মাহমুদ। ভার্চুয়াল শুনানিতে ‘শোন অ্যারেস্ট’-এর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
আদালতচত্বরে অশান্তি হিংসাত্মক রূপ (Chinmoy Krishna Das)
গত বছরের নভেম্বর মাসে চিন্ময়কৃষ্ণের (Chinmoy Krishna Das) জামিনের মামলাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম আদালতচত্বরে অশান্তি হিংসাত্মক রূপ নিয়েছিল। সেই হিংসায় প্রাণ যায় আইনজীবী সাইফুল ইসলামের। অভিযোগ, আদালতচত্বরে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয় সাইফুলকে। সেই ঘটনাতেই এ বার চিন্ময়কৃষ্ণকে গ্রেফতারির নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো জানিয়েছে, আইনজীবী হত্যা মামলায় চিন্ময়কৃষ্ণকে গ্রেফতার করতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। সেই আবেদনই সোমবার গ্রাহ্য করলেন চট্টগ্রাম আদালতের বিচারক এস এম আলাউদ্দিন মাহমুদ। সোমবার এই সংক্রান্ত ভার্চুয়াল শুনানিতে ‘শোন অ্যারেস্ট’-এর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
জামিন স্থগিতের আর্জি
আইনজীবীর মৃত্যুর পর সেই সংক্রান্ত ছ’টি মামলায় মোট ৫১ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। মূল অভিযুক্তেরা হলেন চন্দন দাস, রিপন দাস, রাজীব ভট্টাচার্য প্রমুখ। তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আদালতে। এখনও এই মামলায় ধৃত ২১ জন জেলে রয়েছেন। রাষ্ট্রদোহ মামলায় চিন্ময়কৃষ্ণের গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়েছিল। দীর্ঘ পাঁচ মাস জেলে থাকার পর অবশেষে হাইকোর্ট তাঁর জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে। তবে সেই আবেদনের বিরোধিতা করে উচ্চতর আদালতে জামিন স্থগিতের আর্জি জানানো হয়। তার মাঝেই আরও বিপাকে পড়লেন চিন্ময়কৃষ্ণ দাস। শুনানিতে চিন্ময়কৃষ্ণের পক্ষে কোনও আইনজীবী ছিলেন না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম।


