Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চিড়াইয়া ৬ পর্বের একটি শক্তিশালী ওয়েব সিরিজ যা সমাজের অন্ধকার এক বাস্তবকে সামনে নিয়ে এসেছে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র কমলেশ (দিব্যা দত্ত), একজন আদর্শ বউমা, যার জীবন বদলে যায় যখন তার নতুন জা পূজা (প্রসন্না বিস্ট) জানায় যে সে নিজের স্বামীর যৌন নির্যাতনের শিকার(Chiraiya Series)।
সিরিজে ‘ম্যারিটাল রেপ’ (Chiraiya Series)
এই সিরিজটি তুলে ধরে ‘ম্যারিটাল রেপ’ বা বৈবাহিক ধর্ষণের ভয়াবহতা। বহুকাল ধরেই এটি এমন এক সমস্যা যা প্রমাণ করা অত্যন্ত কঠিন। কারণ বাইরে থেকে সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলেও বন্ধ দরজার আড়ালে যে নির্যাতন ঘটে, তা অনেক সময় অজানাই থেকে যায়। ‘চিরাইয়া’ দেখায় কীভাবে বছরের পর বছর সামাজিক মানসিকতা এই অপরাধকে স্বাভাবিক করে তুলেছে।
ক্ষতি হয় মানসিকভাবে
মুম্বইয়ের সাইকোথেরাপিস্ট পদ্মা রেওয়ারি বলেন, এই ধরনের নির্যাতনের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয় মানসিকভাবে। এতে ভুক্তভোগীর মধ্যে তৈরি হয় উদ্বেগ, আত্মসন্দেহ এবং নিজের পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তি। এমন পরিবেশে, যেখানে নারীদের কণ্ঠস্বর দমন করা হয়, সেখানে এই ক্ষত আরও গভীর হয়।
ম্যারিটাল রেপ আইনত অপরাধ নয় (Chiraiya Series)
ভারতে এখনো ম্যারিটাল রেপ আইনগতভাবে অপরাধ হিসেবে স্বীকৃত নয়। ভারতীয় দণ্ডবিধির (IPC) ৩৭৫ ধারার একটি ব্যতিক্রম যা নতুন ভারতীয় ন্যায় সংহিতাতেও (BNS) বহাল বলে যে, ১৮ বছরের বেশি বয়সী স্ত্রীর সঙ্গে স্বামীর যৌন সম্পর্ককে ধর্ষণ হিসেবে গণ্য করা হয় না, যদি না তারা আলাদা থাকেন।
আরও পড়ুন: Dog Kindergarten: পোষ্যকে প্রশিক্ষণে খরচ কত হতে পারে? প্যাকেজের বহর শুনলে আঁতকে উঠবেন
সমাজের চোখ খুলে দেওয়ার চেষ্টা (Chiraiya Series)
‘চিরাইয়া’ শুধু একটি গল্প নয়, এটি সমাজের চোখ খুলে দেওয়ার চেষ্টা। রিভিউ অনুযায়ী, গ্রামীণ প্রেক্ষাপটে তৈরি এই সিরিজে একদিকে রয়েছে প্রগতির মুখোশ, অন্যদিকে গভীর রক্ষণশীলতা। কমলেশের চরিত্রও এখানে গুরুত্বপূর্ণ একজন কঠোর নারী থেকে ধীরে ধীরে তিনি হয়ে ওঠেন প্রতিবাদের প্রতীক, যিনি এক নির্যাতিত নারীর পাশে দাঁড়ান।



