Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল : দক্ষিণ ২৪ পরগণার বিষ্ণুপুর থানার অন্তর্গত ভাসা বিডিও অফিসের সামনে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে ঘটে গেল মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনা (Civic Volunteer)। লরির ধাক্কায় প্রাণ হারালেন ট্যাংরার বাসিন্দা সিভিক ভলান্টিয়ার সৌম্যজিৎ চক্রবর্তী।

শেষ ফোনকলের পর নিস্তব্ধতা (Civic Volunteer)
পরিবার সূত্রে খবর, শনিবার রাতে নিয়মিত ডিউটি (Civic Volunteer) সেরে ব্লাড ব্যাঙ্কের কাজে ব্যস্ত ছিলেন সৌম্যজিৎ। সিভিক ভলান্টিয়ারের দায়িত্বের পাশাপাশি পার্ট টাইম হিসেবে একটি ব্লাড ব্যাঙ্কে কাজ করতেন তিনি। সেদিন রাতে ব্লাড কালেকশনের রিপোর্ট হাতে নিয়ে স্কুটি চেপে ফিরছিলেন বাড়ি। রাত দেড়টা নাগাদ বাড়ির লোকেদের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল তাঁর। কিন্তু এরপরই ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পরিবারের উৎকণ্ঠা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে রাতেই তাঁরা তিলজলা থানায় বিষয়টি জানান। তিলজলা থানার পুলিশ বিষ্ণুপুর থানার সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানা যায়, সৌম্যজিতের ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
পিষ্ট সিভিক ভলান্টিয়ার (Civic Volunteer)
পুলিশ সূত্রে খবর, বাড়ি ফেরার পথে সৌম্যজিতের স্কুটিকে আচমকাই একটি লরি ধাক্কা মারে। এতটাই জোরে ধাক্কা লাগে যে লরির চাকা কোমরের উপর দিয়ে চলে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত আমতলা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান।
পৌঁছানোর আগেই শেষ (Civic Volunteer)
রাতেই পরিবারের কাছে খবর পৌঁছায় যে সৌম্যজিৎ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ব্যাকুল হয়ে ছুটে যান মা-বাবা এবং আত্মীয়রা। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। হাসপাতালে পৌঁছে তাঁরা জানতে পারেন, ততক্ষণে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন তাঁদের ছেলে।
আরও পড়ুন : London: লন্ডনের রাস্তায় জনস্রোত, চাপে সরকার বিস্ফোরণ আগুন
নেমে এসেছে শোকের ছায়া (Civic Volunteer)
ট্যাংরার কার্তিক মণ্ডল লেনের বাড়িতে শোকের ছায়া। বাবা-মায়ের একমাত্র অবলম্বন ছিলেন সৌম্যজিৎ। হঠাৎ এই মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন পরিবার ও পাড়া-প্রতিবেশীরা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ। ঘাতক লরিটিকে চিহ্নিত করার জন্য চলছে তল্লাশি। অন্যদিকে, সৌম্যজিতের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে মোমিনপুরে।



