Last Updated on [modified_date_only] by
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: কসবায় চাকরিহারাদের উপর লাঠিচার্জের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য (Howrah Incident)। ডিআই অফিসের ঘটনা প্রসঙ্গে ব্রাত্য বলেছেন, ‘‘ডিআই অফিসে গিয়েছেন কেন? এক দিকে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করতে চাইছেন। আবার একই সঙ্গে ধ্বংসাত্মক আন্দোলন করছেন। দুটো কী করে একসঙ্গে চলতে পারে?’’ লিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। প্রতিবাদে দিকে দিকে মিছিল করে এসএফআই। হাওড়ায় ডিআই অফিস অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়ান মিছিলকারীরা। সেই নিয়ে আবার শুরু হয়েছে বিতর্ক।
চাকরিহারাদের পাশে রাজ্য সরকার (Howrah Incident)
গত ৩ এপ্রিল, সুপ্রিম কোর্টের এক আঁচড়ে চাকরি হারান প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীরা। তারপর থেকেই রাজ্যজুড়ে হাহাকার। এই পরিস্থিতিতে চাকরিহারাদের পাশে দাঁড়িয়েছে রাজ্য সরকার (Howrah Incident)। গত ৭ এপ্রিল, নেতাজি ইন্ডোরে চাকরিহারাদের সমাবেশে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফের আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। চাকরিহারা শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীদের স্বেচ্ছাশ্রম দেওয়ার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
‘ওই ভাবে লাথি মারা কখনওই কাম্য নয়’ (Howrah Incident)
এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে বুধবার ডিআই অফিস অভিযানের সিদ্ধান্ত নেন চাকরিহারারা (Howrah Incident)। ওই অভিযান ঘিরে কসবায় চাকরিহারাদের উপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। যদিও পুলিশ চাকরিহারাদের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশের উপর হামলা-সহ একাধিক অভিযোগ করেছে। কসবা ডিআই অফিসের ঘটনা নিয়ে বুধবারই কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘‘ওই ভাবে লাথি মারা কখনওই কাম্য নয়। পুলিশকর্মীদের বলাই হয়েছে, এ রকম যাতে কিছু না ঘটে।’’
আরও পড়ুন: Kasba Case: চাকরিহারাদের বিক্ষোভে ‘লাথি’ মারার অভিযোগ, তদন্তের দায়িত্ব পেলেন সেই এসআই রিটন
‘পুলিশের আরও ‘মানবিক’ হওয়া উচিত’
সবায় চাকরিহারাদের উপর লাঠিচার্জের ঘটনায় পুলিশের আরও ‘মানবিক’ হওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন সায়নী। ঘটনার পরপরই বুধবার তিনি বলেছিলেন, “এরকম ঘটনা হওয়া উচিত না। যে কোনও পরিস্থিতিতেই পুলিশের এমন আচরণ উচিত না। যাঁদের রুজিরুটি চলে গিয়েছে। এমত অবস্থায় এস এফ আই কর্মীরা বিক্ষোভ দেখালে তাদের সাথেও বচসা বাঁধে পুলিশের।
কিছু দূর পৌঁছনোর পরই বাধা পুলিশের
বৃহস্পতিবার হাওড়া ডিআই অফিস অভিযান করে এসএফআই। মিছিল কিছুটা দূর পৌঁছনোর পরই বাধা দেয় পুলিশ। তাতেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন মিছিলকারীরা। পুলিশের সঙ্গে প্রথমে বচসা। পরে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন এসএফআই কর্মী-সমর্থকরা। কিছুক্ষণের মধ্যে পুলিশ মিছিলকারীদের হঠিয়ে দেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।


