Last Updated on [modified_date_only] by Anustup Roy Barman
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের বক্তব্যের পরে (Colombia Withdraws Statement), ভারতের অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানে হওয়া মৃত্যুর নিন্দা জানিয়ে তার বিবৃতি প্রত্যাহার করেছে কলম্বিয়া।
কলম্বিয়ার বিবৃতি প্রত্যাহার (Colombia Withdraws Statement)
ভারতের সাম্প্রতিক সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালীন পাকিস্তানে নিহতদের নিয়ে শোক প্রকাশ করে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল কলম্বিয়া (Colombia Withdraws Statement)। ভারতের কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের নেতৃত্বাধীন একটি বহুদলীয় প্রতিনিধিদল এই বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলে কলম্বিয়া সরকার এই সিদ্ধান্ত নেয়।
শশী থারুরের প্রতিক্রিয়া (Colombia Withdraws Statement)
শশী থারুর জানান, কলম্বিয়ার ভাইস ফরেন মিনিস্টার রোসা ইয়োলান্ডা ভিলাভিসেনসিও তাদের আগের বিবৃতি প্রত্যাহার করেছেন এবং ভারতের অবস্থান সম্পূর্ণভাবে বুঝতে পেরেছেন (Colombia Withdraws Statement)। তিনি বলেন, “তারা আমাদের অবস্থানকে সম্পূর্ণভাবে বুঝেছেন এবং আগের বিবৃতি প্রত্যাহার করেছেন, যা আমরা অত্যন্ত মূল্যবান বলে মনে করি।”
সন্ত্রাসবাদ বনাম আত্মরক্ষা
থারুর স্পষ্ট করেন যে, সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে দেশের আত্মরক্ষাকারীদের তুলনা করা যায় না। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে নিরীহ নাগরিকদের সমানভাবে দেখা যায় না।” তিনি আরও বলেন, “আমরা খুব খুশি যে কলম্বিয়া তাদের আগের বিবৃতি প্রত্যাহার করেছে এবং ভারতের সার্বভৌমত্ব ও শান্তির প্রতি তাদের সমর্থন প্রকাশ করেছে।”
আরও পড়ুন: Earthquake: আবারও পাকিস্তানে প্রকৃতির কোপ! ৪ দিনের মধ্যে তৃতীয়বার ভূমিকম্পে আতঙ্ক
অপারেশন সিঁদুরের প্রেক্ষাপট
অপারেশন সিঁদুর ছিল ভারতের একটি প্রতিরক্ষামূলক অভিযান, যা কাশ্মীরের পাহালগামে ২৬ জন নিরীহ পর্যটককে সন্ত্রাসবাদীরা হত্যা করার পর পরিচালিত হয়। এই হামলার দায় স্বীকার করে পাকিস্তানভিত্তিক লস্কর-ই-তইবার একটি শাখা সংগঠন।
ভারতের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা
শশী থারুরের নেতৃত্বে ভারতের একটি প্রতিনিধিদল পাঁচটি দেশে সফর করছে, যার উদ্দেশ্য অপারেশন সিঁদুরের প্রেক্ষাপট এবং ভারতের অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে স্পষ্ট করা। এই সফরের অংশ হিসেবে তারা কলম্বিয়া সফর করেন এবং সেখানে এই বিবৃতি প্রত্যাহারের ঘটনা ঘটে।
গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য
কলম্বিয়ার এই সিদ্ধান্ত ভারতের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য। এটি দেখায় যে, সঠিক তথ্য ও যুক্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের অবস্থানের পক্ষে সমর্থন আদায় করা সম্ভব।


