Last Updated on [modified_date_only] by
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের হরিয়ানার (Himani Narwal Case) কংগ্রেস নেত্রী হিমানী নরওয়ালের খুনের ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা দেশে। শুক্রবার রোহতকের সাম্পলা বাসস্ট্যান্ডের কাছ থেকে নীল রঙের একটি ট্রলিব্যাগ পাওয়া যায়। ওই ব্যাগে মেলে হিমানীর লাশ। এই খুনের ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে দিল্লি থেকে ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার যুবক কংগ্রেস নেত্রীর প্রেমিক বলে জানা যাচ্ছে।
খুন করতে মোবাইলের চার্জার (Himani Narwal Case)
যে ট্রলিব্যাগ থেকে হিমানীর লাশ উদ্ধার হয়, সেটি কংগ্রেস নেত্রীর বাড়ি থেকেই নেওয়া হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে পুলিশ। তদন্তকারীদের অনুমান, হিমানীকে (Himani Narwal Case) তার নিজের বাড়িতেই খুন করা হয়েছে। হত্যার আগে হিমানীকে ব্যাপক মারধর করা হয়। তার হাড়গোড় ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। গলায় স্কার্ফ জড়ানো ছিল হিমানীর। এটা থেকে পুলিশের সন্দেহ শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে তাকে। সোমবার হরিয়ানা পুলিশ জানিয়েছে, হিমানীকে খুন করতে ব্যবহার করা হয় মোবাইলের চার্জার! ওই চার্জারের তার গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়।
শচীনের সঙ্গে সমাজমাধ্যমে আলাপ (Himani Narwal Case)
পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, হিমানীকে(Himani Narwal Case) খুন করেন শচীনই! পুলিশি জেরায় সেই কথা স্বীকারও করেন ধৃত। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত বিবাহিত। ঝাজ্জর জেলার একটি মোবাইল দোকান চালান। রোহতকের এডিজিপি কৃষ্ণকুমার রাও বলেন, ‘‘শচীনের সঙ্গে সমাজমাধ্যমে আলাপ হয়েছিল হিমানীর। রোহতকে একাই থাকতেন হিমানী। সেই বাড়িতে যাতায়াত ছিল শচীনের। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্ত হিমানীর বাড়ি এসেছিলেন। কোনও এক বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হয়। অশান্তির মাঝেই মোবাইল চার্জারের তার গলায় পেঁচিয়ে হিমানীকে খুন করেন অভিযুক্ত!’’

আরও পড়ুন: Bihar: প্রেমিকের সঙ্গে ঘর বাঁধতে সন্তানকে অপহরণ! শ্বশুরবাড়ি থেকে ২৫ লক্ষ মুক্তিপণ
ট্রলিতে ভরে ফেলে আসা হয়
হিমানীর মা সবিতা বার বার দাবি করছেন, কোনও এক জন ব্যক্তির পক্ষে এ কাজ করা সম্ভব নয়। তাঁর কন্যার খুনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত রয়েছেন বলে মনে করছেন তিনি। পুলিশও সেই দাবি উড়িয়ে দিচ্ছে না। পুলিশের দাবি, খুন করার পর হিমানীর গয়না, মোবাইল এবং ল্যাপটপ লুট করা হয়। তার পর দেহ ওই বাড়িতে থাকা একটি ট্রলিতে ভরে ফেলে আসা হয়। ঘটনাটিকে ডাকাতির ঘটনা হিসাবে সাজানোর চেষ্টা হয়েছিল। অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার নেপথ্যে আর কেউ জড়িত কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


