Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র হতেই (Crude Oil) হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহণ কার্যত বন্ধ। এর জেরে ভারতে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, দেশের ভান্ডারে বর্তমানে প্রায় ২৫ দিনের অপরিশোধিত ও পরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরবরাহ ও মজুতের উপর কড়া নজরদারির জন্য ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম খুলেছে নয়া দিল্লি।
আলাদা কন্ট্রোল রুম চালু (Crude Oil)
কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, দেশে প্রতিদিন (Crude Oil) কত তেল আসছে এবং মজুত কতটা রয়েছে, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি বিদেশে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও আলাদা কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চালু থাকবে এই হেল্পলাইন পরিষেবা এবং একাধিক টোল-ফ্রি নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে। বাহরাইন, ইরান, ইরাক, ইজরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসগুলির সঙ্গেও সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এলএনজি উৎপাদন বন্ধ (Crude Oil)
সংঘাতের প্রভাবে কাতারের দুটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসক্ষেত্রে এলএনজি উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে, রান্নার গ্যাসের ক্ষেত্রে ভারতের বড় নির্ভরতা সৌদি আরবের উপর, সেখানেও অবকাঠামোয় হামলার খবর মিলেছে। ফলে নরওয়ে ও আমেরিকা থেকে আমদানির পরিমাণ বাড়ানো যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: Indian Rupee Depreciation: হরমুজ প্রণালী বন্ধ, ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি, দুর্বল হচ্ছে ভারতীয় টাকা?
কয়েক দিন আগেও দেশে ৭৪ দিনের মজুত থাকার কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু এখন সেই পরিমাণ কমে ২৫ দিনে নেমে আসায় উদ্বেগ বেড়েছে। বিকল্প হিসেবে রাশিয়া তেল সরবরাহে প্রস্তুত থাকার বার্তা দিয়েছে। তবে শুল্ক সংক্রান্ত মার্কিন সতর্কবার্তার পর রাশিয়া থেকে আমদানি কমিয়েছিল ভারত। আবার সেই পথে হাঁটলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্পর্কের উপর প্রভাব পড়তে পারে। এই জটিল পরিস্থিতিতে দিল্লির পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর সবার।


