Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সুপ্রিম কোর্টের ডিএ (DA) নির্দেশকে অমান্য। রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে আবারও সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা।
ডেডলাইন পার! (DA)
ডিএ মামলায় রাজ্য সরকারকে বকেয়া ডিএ (DA) মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া ডেডলাইন পেরিয়ে গেলেও এখনও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ডিএ মেটানো নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। তাই আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে আবারও সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা।
আরও পড়ুন: EC SIR : আরও ১৮ রাজ্য ও ৪ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল: ভোটার তালিকায় SIR ঘোষণা কমিশনের
গত ৫ ফেব্রুয়ারি ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং প্রশান্ত কুমার মিশ্রর বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, ৬ মার্চের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে চার সদস্যের কমিটি গঠন করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, সেই কমিটির সিদ্ধান্ত নেবে ডিএ-র (DA) পরিমাণ কি হবে। কারণ, সুপ্রিম কোর্ট রায় দিতে গিয়ে রাজ্যের আবেদন আংশিক মেনে নিয়ে জানিয়েছিল ডিএ-এর হার পরিবর্তনশীল। তবে সুপ্রিম কোর্ট পরিষ্কার নির্দেশ দিয়েছে, বকেয়া ডিএ রাজ্যকে মেটাতেই হবে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিটি
মোট বকেয়া ১০০% ডিএ এবং বাকি ৭৫ শতাংশর মোট টাকার অংক কত, তা কবে কত কিস্তিতে মেটানো হবে, তা রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারণ করবে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত ৪ সদস্যের কমিটি। বাকি ৭৫ শতাংশ ডিএ ১৪ এপ্রিলের মধ্যে মিটিয়ে দিতে হবে। বাকি ৭৫ শতাংশ ডিএ কটা কিস্তিতে, কত শতাংশ করে কবে দেয়া হবে, তা রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে আগামী ৬ মার্চের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিটিকে। বাকি ৭৫ শতাংশ ডিএ-এর প্রথম কিস্তি ৩১ মার্চের মধ্যে মিটিয়ে দিতে হবে। প্রত্যেক কিস্তিতে নির্ধারিত শতাংশের টাকা কর্মীরা পেয়েছেন কিনা তার উপর নজর রাখবে কমিটি। সমস্ত বকেয়া ডিএ (DA) মিটিয়ে দিয়ে আগামী ১৫ এপ্রিল কমিটিকে সুপ্রিম কোর্টে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট দিতে হবে।
আরও পড়ুন: Jonomot Samiksha: ভোটের আগে K TV বাংলার জনমত সমীক্ষা: কী উঠে এল রিপোর্টে?
সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পরই রাজ্যের পক্ষ থেকেও মুখ্য সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ডিএ (DA) নিয়ে এই কমিটি সুপ্রিম কোর্ট গঠিত কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে ইচ্ছাকৃত এবং সজ্ঞানে লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগে ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে আদালত অবমাননার নোটিস দেওয়া হয়। সুপ্রিম-নির্দেশের এক সপ্তাহ পরও বকেয়া ডিএ না মেটানোর জন্য ফের আইনি পথ বেছে নিলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। সুপ্রিম কোর্টে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করলেন তাঁরা।


